২১ আগস্ট স্মরণে চাঁদপুরে আলোচনা সভা

বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল………শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি

স্টাফ রিপোর্টার
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা করে হত্যার অপচেষ্টা ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কুদ্দুস পাটওয়ারীসহ ২৪জন নেতাকর্মী হত্যার প্রতিবাদে আলোচনা সভার আয়োজন করে চাঁদপুর পৌর আওয়ামী লীগ। রোববার (২১ আগস্ট) বিকালে চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। ‘৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ হাসিনাকে হত্যা করে তাদের অসমাপ্ত কাজটি করতে চেয়েছিল ঘাতকচক্র। ২১ আগস্টের ষড়যন্ত্রকারী সবার বিচারের দাবি জানাচ্ছি। শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। ২১ আগস্টেরও পূর্ণ বিচার আওয়ামী লীগের আমলেই হবে বলে আমার বিশ্বাস।
পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুলের সভাপতিত্বে এবং দপ্তর সম্পাদক এমরান হোসেন সেলিমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এবং পৌর মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, অ্যাড. মজিবুর রহমান ভূঁইয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. রনজিৎ রায় চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অজয় কুমার ভৌমিক, উপ-প্রচার সম্পাদক হাসান ইমাম বাদশা, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাসুদা নূর খান, জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সালাউদ্দিন, চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী এরশাদ মিয়াজী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ আলী মাঝি, পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাড. সাইফুদ্দিন বাবু, মোজাহের হোসেন টিপু, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াছ, পৌর যুবলীগ আহ্বায়ক কাউন্সিলর আব্দুল মালেক শেখ, সদও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাড. হুমায়ন কবির সুমন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি কাউন্সিলর মোহাম্মদ সোহেল রানা, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রবিন পাটওয়ারী।
বক্তারা বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুর রহমান বাবর, তারেক রহমান, হারেস চৌধুরীসহ বিএনপি জামায়াত শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার জন্য নীলনকশা করেছিল। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। তবে সেদিন ২৪ জন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। এর মধ্যে হাইমচর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কুদ্দুস পাটওয়ারী ও মতলব উত্তর উপজেলার আতিক সরকার নিহত হয়।

২২ আগস্ট, ২০২২।