হাজীগঞ্জে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র আলোচনা সভা বাতিল

হাজীগঞ্জ ব্যুরো
হাজীগঞ্জে পুলিশি বাঁধার মুখে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পূর্বঘোষিত আলোচনা সভা করতে পারেনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) উপজেলা ও পৌর বিএনপি। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে এই আলোচনা সভা হাজীগঞ্জ পূর্ব বাজারস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চাঁদপুর- ৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্য-নির্বাহী কমিটির সদস্য এম. এ মতিন উপস্থিত হয়েছেন। এর আগে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন।
তারা অভিযোগ বলেন, সব প্রস্ততি সম্পন্ন করার পর আলোচনা সভা শুরুর মুহূর্তে থানার সেকেন্ড অফিসার ইব্রাহিম খলিলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন অফিসারসহ সভাস্থলে আসেন। এ সময় তারা নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে আলোচনা সভা বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন মৃধা অনিবার্য কারণবশত সভা বাতিল করা হয়েছে বলে মাইকে ঘোষণা দেন। এরপর নেতাকর্মীরা চলে যান।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী বলেন, এখানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষিত। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সভা-সমাবেশ ও মিছিল-মিটিং চলবে। তাহলে পুলিশ বিএনপির দলীয় কর্মসূচী পালনে বাধা এবং বন্ধ করে দিবে কেন? তিনি বলেন, গণতন্ত্র আজ কারারুদ্ধ ও বন্দী। তার জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের কর্মসূচী পালনে বাঁধা ও বন্ধ করে দেয়া।
আলোচনা সভা বন্ধ করার অভিযোগ অস্বীকার করে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, নাশকতার সৃষ্টির লক্ষ্যে তারা (বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ) জমায়েত হয়েছিলো। তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে, তারা পালিয়ে যায়।
আলোচনা সভাস্থলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ ড. মো. আলমগীর কবির পাটওয়ারী, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন প্রধানীয়া, পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মনির হোসেন ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন মৃধা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, উপজেলা যুবদল নেতা কবির হোসেন মজুমদারসহ উপজেলা, পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।