চাঁদপুরে যানজটে শহরবাসীর ভোগান্তি চরমে

সজীব খান
ঈদের এখনো বাকি বেশ কয়েক দিন। এরই মাঝে চাঁদপুরে যানজটে শহরমুখী মানুষের বিড়ম্বনা চরম আকার ধারণ করেছে। ঈদের ছুটি নিয়ে ঘরমুখো মানুষজন এখনো ফিরেনি। অথচ শহরে কর্মস্থলে ফিরতে এখনই সড়কে শুরু হয়েছে যানজট। সড়কের বিভিন্ন স্থানে মানুষের বিড়ম্বনার শেষ নেই। বেশি ভাড়ার আশায় পাল্লা দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে সড়কে লেগে আছে যানজট। ঈদের আগে শহরে সিএনজি ও অটোরিকশার চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে যানজট বেড়েই চলেছে।
যানজট নিরসনের জন্য ইতোমধ্যে চাঁদপুর পৌর কর্তৃপক্ষ সড়কে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে মাইকিং করে শহরবাসীকে সচেতন করেছে। ট্রাফিক বিভাগও সড়কে যানজন নিরসনের জন্য ব্যাপকহারে কাজ করছে। শহরে প্রবেশ করতে মানুষজনকে যাতে কোনো প্রকার বিড়ম্বনায় পড়তে না হয়, সেজন্য পৌর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসন সচেতনতামূলক কর্মকা-ের শেষ নেই বললেই চলে। কিন্তু কে শুনে কার কথা?
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নতুন পোশাক কেনার জন্য চাঁদপুরের শপিংমলগুলোতে ক্রেতাদের আগমনের কারণে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এ সুযোগে সড়কে ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সড়কে পুলিশের উপস্থিতিও রয়েছে। চাঁদপুরে প্রবেশের মূল সড়কে প্রতিদিন যানজটে নাকাল জনজীবন। এলোপাথাড়ি গাড়ি চালিয়ে যানজটের সৃষ্টি করছে সিএনজি অটোরিক্সা চালকরা।
যাত্রীরা বলেন, শুধু চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে হাজার-হাজার মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। অতিষ্ঠ হয়ে অনেক সময় যাত্রীরাই গাড়ির লাইন ঠিক করছে। বাবুরহাট মতলব রোডের মাথা, কলেজের সামনে, ওয়্যারলেস, ষোলঘর, বাসস্ট্যান্ড, মিশন রোডের মাথা, শপথ (জয়বাংলা) চত্বরসহ শহরে প্রবেশের মূল সড়কে যানজট এখন নিত্যসঙ্গী।
অটোরিকশা চালক আব্দুল হামিদ ইল্শেপাড়কে বলেন, ঈদ উপলক্ষে আমরা কিছু টাকা আয় করি। বাকি সময় দিনের আয় দিনে চলে যায়। ঈদের আগে চাঁদপুর থেকে হাজীগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জ কয়েকবার আপ-ডাউন করতে হয়। ঈদ উপলক্ষে এখন একটু বেশি যাওয়ার চেষ্টা করছি। ঈদে মানুষের একটু চাপ থাকবেই। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে তারা নিরাপদে ও নির্বিঘেœ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।

১১ এপ্রিল, ২০২৩।