স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুরে ৩ অপহরণকারী আটক ও অপহৃতাকে উদ্বার করার খবর পাওয়া গেছে। আটক অপহরণকারীদের জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় অপহৃতাকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগস্ট রাত অনুমান সাড়ে ১০টায়, শহরের হাজী মহসিন রোডস্থ এলাকায়। এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় বিগত ৩০ আগস্ট একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। যার নং-১৬৯২। এ ঘটনায় পরবর্তীতে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালত চাঁদপুরে ফাতেমা আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নং ৪০২/২০২০। আটক আসামিরা হচ্ছে- মতলব উত্তর এলাকার মো. ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে মো. সামিউল হোসেন শাওন (২২) মৃত মো. ছালামত উল্লাহ্ ছেলে মো. ওয়াদুদ মিয়া (৫০) ও মো. ওয়াদুদ মিয়া ছেলে মো. ইমন হোসেন (২৫)। বাকি আসামিরা হচ্ছে- মো. ওয়াদুদ মিয়ার স্ত্রী সালমা আক্তার (৪৫) ও মৃত মো. ছালামত উল্লাহ্ ছেলে সামসুল হক (৫৫)।
জানা যায়, চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোডস্থ এলাকার বাসিন্দা প্রবাসী মো. মিজানুর রহমানের নাবালিকা মেয়ে শহরের আল-আমিন স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী (১৭) কে তার মায়ের মোবাইলে টাকা লোড করে রাতে বাসায় ফিরার পথে ৫ থেকে ৭জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র পূর্ব পরিকল্পিতভাবে জোরপূর্বক একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীর মা’ ফাতেমা আক্তার প্রথমে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। পরে জানতে পারে তার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে। তিনি বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজির পর অপহরণকারীদের সন্ধান জানতে পেরে চাঁদপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। আদালতে মামলা দায়েরের পর থেকে অপহরণকারীরা অপহৃতাকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। যার কারণে পুলিশ তাদেরকে আটক করতে পারেনি। আদালত এ বিষয়টি পিবিআইকে তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দেয়। পিবিআই কর্মকর্তা তদন্ত শেষে ৫ জন আসামির মধ্যে ১ জনকে বাদ দিয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে রিপোর্ট পেশ করেছে বলে আদালত সূত্রে জানা যায়।
১৪ ডিসেম্বর, ২০২০।
