স্টাফ রিপোর্টার
মতলব উত্তর উপজেলাধীন মেঘনা নদীর তলদেশে বালু উত্তোলনের কারণে যেকোনো মুহূর্তে মেঘনা-ধনাগোদা বেড়িবাঁধ ভেঙে যেতে পারে। গত শনিবার রাতে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধের কিছু অংশও ভেঙে যায়। ফলে মতলব উত্তর উপজেলাধীন মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে দাবি তুলেছেন সাধারণ জনগণ।
সম্প্রতি ঐ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে ভূমিমন্ত্রী ও চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল (ডিও নং ২৬১, চাঁদ-০২-২৭) নিম্নোক্ত মৌজাগুলোতে বালু মহালের কোন প্রকার ইজারা না দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। সংশ্লিষ্ট মৌজা- মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ, জয়পুর, নাওভাঙ্গা, উত্তর পোয়ারচর, এখলাছপুর, হোগলা হাশিমপুর, নীলের চর, মোহনপুর, বাহেরচর, বোরোচর, চরইলিয়ট, রাম গোপালপুর, কাউয়ারচর, বাহাদুরপুর, কালিগঞ্জ দিয়ারা, চরসুগন্ধি, ষাটনল, নাছিরারকান্দি, নাপিতমারা চর।
জানা যায়, বিগত দিন আহার খালাসী, বোরহান খালাসী গত ১/১১ এর পর থেকে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটানা বালি উত্তোলনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। বোরহান খালাসী শূন্য থেকে কোটিপতি বনে যান। এই সংঘবদ্ধ চক্রটি আবারো নদীতে বালি উত্তোলনের অবৈধভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। যেকোনো মূল্যে নদীতে বালি উত্তোলন করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বালু উত্তোলনের জন্য দফায় দফায় শলা পরামর্শ করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চরাঞ্চলের একাধিক মানুষ বলেন, ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত বালু উত্তোলন বন্ধ করতে আমরা জীবন দিয়ে হলেও প্রতিহত করবো।
বালু উত্তোলনের বিষয়ে মতলব উত্তরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে জানা যায় যে, পুরাতন চক্রটি যদি আবারও বালু উত্তোলনের চেষ্টা করে তাহলে মতলব উত্তরে যেকোনো সময়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষসহ বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেতে পারে। ঐ এলাকার সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাছে নেতৃত্বাধীন এই চক্রের অবৈধ উপায়ে নতুন করে বালু উত্তোলনের চেষ্টা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান।
০৬ আগস্ট, ২০১৯।