হাজীগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বাণী সম্বলিত ৩ হাজার পোস্টকার্ড বিতরণ

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাজীগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বাণী সম্বলিত তিন হাজার পোস্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে পৌর মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপন একটি পোস্টকার্ড গ্রহণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত শুভেচ্ছাবাণী সম্বলিত এই পোস্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এরপর ডাক বিভাগের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সাংগঠনিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক লোকজনের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বাণী সম্বলিত এই পোস্টকার্ডটি তুলে দেন ডাক বিভাগ, হাজীগঞ্জ উপ-বিভাগের ডাকঘর পরিদর্শক কাঞ্চন সাহা।
এ সময় হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক কাজী মনির হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ কবির হোসেন, বলাখাল ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মো. রবিউল ইসলাম, হাজীগঞ্জ ডাকঘরের সহকারী পোস্ট মাস্টার মো. খোরশেদ আলম, সহকারী পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন, ইউভিএ’র চাঁদপুর জেলা সেক্রেটারী মো. তাজুল ইসলাম, পোস্টম্যান আক্তারুজ্জামান বাবলু ও আব্দুর রহমানসহ ডাক বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডাকঘর সূত্রে জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বাক্ষরিত শুভেচ্ছা বাণী সম্বলিত ৪ কোটি ৬০ লাখ পোস্টকার্ড সারা দেশে বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাজীগঞ্জ উপজেলায় তিন হাজার পোস্টকার্ড বিতরণ করা হবে। এছাড়া জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা হয় বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, প্রিয় ইল্শেপাড় পাঠক আপনাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বাণী টুকু হুবহু তুলে ধরা হলো।
প্রিয় ভাই/বোন আসসালামু আলাইকুম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০০তম জন্মবার্ষিকীতে আপনাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা। স্বজন হারিয়ে ১৯৮১ সালে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছিলাম। আপনারা আমাকে সুযোগ করে দিয়েছেন জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করা জন্য।
এ প্রসঙ্গে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমরা আজ যে স্বাধীন দেশে বাস করছি, আমাদের হাতে যে লাল-সবুজের পতাকা শোভা পাচ্ছে তার পেছনে রয়েছে অনেক ত্যাগের ইতিহাস। জাতির পিতাই এক্ষেত্রে সবেচ’ বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর কাছে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ এই কৃতিত্বের পুরোটাই আপনাদের সকলের। জাতির পিতার সোনার বাংলা অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীর মানচিত্রে উন্নত বিশে^র মর্যাদায় আসীন হবে। আপনারা হবেন জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে অকুতোভয় সৈনিক।
মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আপনাদের সকলের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনা করছি। আপনারাও আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমৃত্যু নিরলস কাজ করে যেতে পারি।
খোদা হাফেজ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
শেখ হাসিনা, প্রধানমন্ত্রী।
১ সেপ্টেম্বর, ২০২০।