চাঁদপুর লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান

দৈনিক ইল্শেপাড়ে সংবাদ প্রকাশে পর

স্টাফ রিপোর্টার
দৈনিক ইলশেপাড়ের প্রথম পাতায় ‘চাঁদপুর লঞ্চঘাটে মালেক বাহিনীর কাছে অসহায় যাত্রীরা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে যাত্রী হয়রানী বন্ধে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাসানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চাঁদপুর লঞ্চঘাট ইজারাদার আব্দুল মালেক বেপারীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, আর যেন কোন যাত্রী হয়রানীর চিত্র মিডিয়াতে না আসে। যদি এমনটা দ্বিতীয়বার দেখি তাহলে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরকম ঘটনায় কোন কুলির জামিন দেয়া হবে না। আপনার এখানে ১৮ জন কুলি আছে, আপনি প্রত্যেকের নির্দিষ্ট পোশাক দিবেন এবং পোশাকে তাদের নাম দিবেন।
অভিযানে লঞ্চঘাটে অবস্থানরত বোগদাদিয়া-৭ লঞ্চের মালিক পক্ষকে ডেকে সতর্ক করে বলেন, আপনারা যখন লঞ্চটি ঘাটে ভিড়াবেন তখন আপনাদের লঞ্চের মাইকে বলে দিবেন যাতে করে যাত্রীরা সুন্দরভাবে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। কেউ কোন প্রকার যাত্রীদের নিয়ে টানা-হেচড়া না করে এবং কোন অবস্থাতেই যাত্রী হয়রানি করা যাবে না। আপনারা লঞ্চের কেবিন ভাড়া দেয়ার সময় সতর্কতার সাথে ভাড়া দিবেন। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের ক্ষেত্রে তাদের পরিচয়পত্র ছাড়া ভাড়া দিবেন না। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে কিন্তু কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
এরপর লঞ্চঘাটে অবস্থানরত পরিবহন সিএনজি অটোরিকশা ও ইজিবাইকের ড্রাইভারদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা যারা এখানে অবস্থান করবেন, প্রত্যেকে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার রাখবেন। কোন প্রকার যাত্রীদের হয়রানী বা টানাটানি করে গাড়িতে তুলবেননা। যাত্রীরা তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী গাড়িতে উঠবে। এরপর পরিবহন মালিকদের নির্দেশ প্রদান করে বলেন, আমাদের এখানে ওসি সাহেব আছে, আপনারা সব ড্রাইভারের ভোটার আইডি কার্ড ওনার বরাবরের জমা দিবেন। আর আপানারাও ড্রাইভারদের নির্দিষ্ট পোশাক নির্ধারণ করে আগামি ১০ জানুয়ারির মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে। পোশাকে প্রত্যেক ড্রাইভারের নাম থাকবে। পরিবহন মালিকদের অনুরোধ করে বলেন, মালিকরা এক দিনের সিএনজি জমা মওকুফ করবেন। সেই টাকায় চালকরা তাদের নির্ধারিত পোশাক বানাবে।
এসময় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামাল হোসাইন, চাঁদপুর মডেল থানার ওসি মো. নাসিম উদ্দিন, পরিদর্শক (তদন্ত) হারুনুর রশিদ, পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলমসহ মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা।
২৮ ডিসেম্বর, ২০২০।