স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর শহরের বাস স্টেশন স্বর্ণখোলা রোডে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডে তুলা তৈরির গোডাউন ও বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের টিম প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও গোডাউন ও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে চাঁদপুর উত্তর ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তারা জানান।
স্থানীয়রা জানায়, সকাল প্রায় ১১টায় করিম মাস্টারের মালিকানাধীন টিন সেডের গোডাউনটি জহির নামক এক ব্যক্তি ভাড়া নিয়ে তুলা তৈরি করতো। লোকজন দেখতে পায় তুলার গোডাউনে ধাউ-ধাউ করে আগুন জ্বলে উঠে। সেখানে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পাশে ছিলো আল-আমিন মৃধার বসতঘর ও অটোরিক্সা চার্জের গ্যারেজে। স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে প্রথমে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। আগুনের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে কাছাকাছি যেতে লোকজনদের কষ্টকর হয়ে যায়। পরে চাঁদপুর উত্তর ফায়ার স্টেশনকে খবর দেয়া হলে তাদের ২টি ইউনিট দুপুর ১২টায় ঘটনাস্থলে এসে পানিবাহী গাড়ি থেকে পানি ছিটানোর সময় মেশিনে সমস্যা দেখা দেয়। তা ঠিক করে পানি ছিটাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। ততোক্ষণে গোডাউন ও বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয়রা আরো জানায়, জহিরের তুলা তৈরির গোডাউনে কিছু নারী ও পুরুষ শ্রমিক কাজ করতো। অগ্নিকাণ্ডের সময় গোডাউনে তেমন কোনো শ্রমিক কাজ করতে আসেনি। ভাগ্যক্রমে শ্রমিকরা কাজে না আসায় প্রাণে বেঁচে গেছে।
চাঁদপুর উত্তর ফায়ার স্টেশন ইনচার্জ মো. লিটন আহম্মদ জানান, আমাদের দুপুর ১২টায় খবর দেয়া হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করি। প্রায় ২ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে অনুসন্ধান ছাড়া প্রাথমিকভাবে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে না।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাসিম উদ্দিনের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক মো. রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। অগ্নিকাণ্ডে আল-আমিনের বসতঘর, গ্যারেজ ও জহিরের তুলার গোডাউনের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
২৯ জুলাই, ২০২০।
- Home
- চাঁদপুর
- চাঁদপুর সদর
- চাঁদপুর স্বর্ণখোলায় অগ্নিকাণ্ডে তুলার গোডাউন ও বসতঘর পুড়ে ছাই
