ফেনীতে মুনিরীয়া যুব তবলীগের এশায়াত মাহফিল অনুষ্ঠিত।

 মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন : পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদ্যাপন উপলক্ষে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ১৩৫নং জেলা শাখার উদ্যোগে ফেনিতে এশায়াত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) ফেনি পরশুরাম উপজেলা চত্বরে অনুষ্ঠিত মাহফিলে পরশুরাম উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান আলহাজ্ব কামাল উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যাপক মুহাম্মদ ফোরকান মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরশুরাম পৌরসভা মেয়র নিজাম উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী সাজেল, পরশুরাম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল করিম মজুমদার বাদল, পরশুরাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটি সভাপতি পীরে কামেল মাওলানা মোহাম্মদ আজিজুল হক মজুমদার, পরশুরাম বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো: ইয়াছিন শরীফ মজুমদার, মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির নোমানী, মাওলানা মোহাম্মদ ইব্রাহীম মজুমদার, মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল হক, মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুর রউফ। এতে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন কাগতিয়া কামিল এম এ মাদরাসার মোহাদ্দিস আল্লামা মোহাম্মদ আশেকুর রহমান ও আল্লামা মোহাম্মদ ফোরকান। উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি বলেছেন, শান্তি ও সাম্যের ধর্ম ইসলামের সোনালী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পুনরদ্ধারে এ মুহূর্তে দরকার আধ্যাত্মিক জাগরণ, যে জাগরণে ব্যক্তিচরিত্রের সংশোধনে শুদ্ধতায় গড়ে ওঠবে দেশের যুব সমাজ, প্রতিষ্ঠা পাবে সামাজিক নিরাপত্তা ও শান্তি, আর বর্তমান যুগে এর উত্তরণে ও বাস্তবায়নে পথনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন কালজয়ী আধ্যাত্মিক মনীষী গাউছুল আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী। শুধু তাই নয়, নূরে মুহাম্মদীর জ্যোতিতে তরিক্বত শিক্ষায় মুসলিম নর-নারীকে আলোর দিকে ধাবিত করতে এ মহান মনীষী প্রতিষ্ঠা করেছেন কাগতিয়া দরবার ও অরাজনৈতিক আধ্যাত্মিক সংগঠন মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ। প্রধান অতিথি আরও বলেন, গাউছুল আজমের এ দরবারে রয়েছে তাওয়াজ্জুহ বিল গায়েব নামক বিশ্ববিরল আধ্যাত্মিক প্রযুক্তি। যার ফলে আল্লাহর ফরজ পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে কোন মহিলাকে ছবক নিতে কাগতিয়া দরবারে আসতে হয় না। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে বিশ্বের যে কোন দেশের মুসলিম নারী শুধুমাত্র নিজের নাম-ঠিকানা কাগতিয়া দরবারে প্রেরণের মাধ্যমে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ নিতে পারেন। সভাপতির বক্তব্যে বলেন, যেখানে আজ দেশের বেশিরভাগ যুবক ইভটিজিং, মাদক সেবন সহ নানা অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত, সেখানে মুনিরীয়া যুব তবলীগের সাথে সম্পৃক্ত যুবকদের এ ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচী আমাকে নতুনভাবে আশা জাগিয়েছে। তরিক্বত শিক্ষায় যুব সমাজের চরিত্রে ও চিন্তা-চেতনায় আমূল পরিবর্তন ঘটবে। মাহফিলে পরশুরামের স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ছাড়াও সর্বস্তরের অনেক মুসলমান উপস্থিত ছিলেন। শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজমের দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।