মতলবের ধনাগোদা নদীতে যাত্রীদের ভোগান্তি

কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ নেই

মেহেদী হাসান সরকার
মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানা। এতে নৌকা পারাপারের যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে। এমনই চিত্র গত একমাস যাবৎ দেখা যাচ্ছে মতলব খেয়া ঘাটে। মালবাহী নৌকা ও ট্রলার চলাচলে চরম বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে নদীপথে বাজারে সঠিক সময়ে মালামাল না আসতে পাড়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। খেয়া পাড়াপাড়ের জন্য জনপ্রতি ভাড়া ৫ টাকা, সেই সাথে বাইতে হয় বৈঠা।
মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলাকে বিভক্ত করা ধনাগোদা নদী পারাপারের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে মতলব খেয়া ঘাটে। মতলব সেতু চালু হওয়ার পরও নদী পারাপারের ক্ষেত্রে দুই উপজেলার লোকজন চলাচলের জন্য এই খেয়া ঘাট। কিন্তু গত কয়েক মাস যাবৎ ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানার জটের কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নৌকার মাঝি ও খেয়া পারাপারের যাত্রীরা। কচুরীপানার জটের কারণে নদী পার হতে মাঝির সাথে সাথে বৈঠা চালাতে হয় অন্যান্য যাত্রীদের। এতে খেয়া পারাপারে যাত্রী সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে অনেক খানি।
স্থানীয়রা জানান, নদী পার হতে আগে ৫-৬ মিনিট সময় লাগতো। এখন আধা ঘন্টা, আবার কচুরীপানার জট বৃদ্ধি পেলে এক-দেড় ঘণ্টাও লাগে নদী পার হতে। সেই সাথে বেড়েছে নদী পারাপারের খরচ।
শিক্ষক মো. দুলাল প্রধান জানান, আগে জনপ্রতি ২ টাকা ভাড়ায় প্রতি নৌকায় ১৫ জন পার হত এবং ঘাটের ইজারাদার নেয় ২/৩ টাকা। কিন্তু এখন জনপ্রতি ৫ টাকা এবং নৌকায় ৮ জন যাত্রী পার হয়।
শিক্ষার্থী নাসরিন জানান, এখন নদী পার হতে আমাদের জনপ্রতি ৭ টাকা খরচ হয়। এছাড়া নৌকায় পুরুষ লোক না উঠলে মাঝি নৌকা ছাড়তে চান না।
ব্যবসায়ী চন্দন সাহা জানান, ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানার কারণে মালামাল বাজারে আসতে বিঘœ সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে খেয়াঘাট ইজারাদাররা এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না।