মতলব উত্তর ব্যুরো
মতলব উত্তর উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের সানকিভাঙ্গা গ্রামে বিয়ের প্রলোভনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বার অভিযোগে আটক হয়েছে ইমাম মাহবুব। বুধবার (৬ এপ্রিল) মতলব উত্তরের কালিপুর বাজার হতে ইমাম মাহবুবকে আটক করে পুলিশ।
জানা যায়, উপজেলার জহিরাবাদ ইউনিয়নের সানকিভাঙ্গা গ্রামের স্কুলপড়–য়া কিশোরীর সাথে একই গ্রামের সানকিভাঙ্গা (ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মসজিদ) বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাও. মাহবুবের প্রেমের সম্পর্কে কিশোরীকে বিভিন্ন লোভ লালসা প্রলোভন দিয়ে কৌশলে প্রায় ৭ মাস ধরে মসজিদের ইমাম ধর্ষণ করে আসে। এতে করে ওই কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
এদিকে ওই মেয়ের শরীরের গঠন অন্তঃসত্ত্বা দেখা দেয়ায় পরিবার থেকে চাপ দিলে সে মসজিদের ইমাম মাওলানা মাহবুবের নাম বলে। মাও. মাহবুবের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়।
কিশোরী জানায়, বিভিন্ন সময় মসজিদ ইমাম (মাহবুব) আমার শরীরের বিভিন্ন দিকে হাত দিত। আমি বাঁধা দিতাম, সে বাঁধা মানতো না। একদিন সে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসব কথা কোথাও জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং আমার পরিবারের বড় ধরনের ক্ষতি করার কথা বলে। তাই আমি ভয়ে কোথাও জানাতে সাহস পাইনি। সর্বশেষ আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সাথে মিলিত হয়।
এ ব্যাপারে মতলব উত্তর থানার এফআইআর নং-২৮, তারিখ ৩১ মার্চ, ২০২২, ধারা- ৯(১), ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০৩) এর ধারায় মো. মাহবুব আলম (৩৫) কে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মাহবুব আলম মুন্সিগঞ্জ জেলার হোগলা কান্দি গ্রামের আমির হোসেন মোল্লার ছেলে।
এ ঘটনায় জানতে চাইলে মতলব উত্তর থানার ওসি শাহজাহান কামাল জানান, ৬ এপ্রিল রাতে কালিপুর বাজার থেকে ইমাম মাহবুবকে আটক করা হয়। বুধবার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
০৭ এপ্রিল, ২০২২।
