গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা বিএনপির আয়োজনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. সেলিম উল্যাহ সেলিম।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুনির চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আনোয়ার বাবলু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুনুর রশীদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আমানত গাজী, চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাড. জাকির হোসেন ফয়সাল, জেলা যুবদলের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মানিকুর রহমান মানিক, জেলা আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাড. কামাল উদ্দিন আহেমদ, জেলা কৃষক দলের সভাপতি এনায়েত উল্যাহ খোকন, জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাও. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোস্তফা কামাল, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুয়েল, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার, যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম নজু, কেন্দ্রিয় সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য মীর আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, জেলা ছাত্রদল সভাপতি ঈমান হোসেন গাজী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান হাসানাত, জাসাস নেতা শোহেব মো. কলিম, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ঈসমাইল হোসেন পাটওয়ারী।
বক্তারা বলেন, ১৯৮২ সালের ২৪ জানুযারি এরশাদ গনতন্ত্রকে হত্যা করেছিলো। খালেদা জিয়া নেতৃত্বে সেই গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার করা হয়েছে। আবার সেই এরশাদের সাথে আঁতাত করে শেখ হাসিনা পুনরায় গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। দেশের প্রত্যেকটি নির্বাচনে রাতের অন্ধকারে ভোট চুরি করে নির্বাচিত হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বরের ভোট ২৯ ডিসেম্বর দেয়া হয়। এভাবে আর গণতন্ত্রকে হত্যা করবেন না।
বক্তারা আরো বলেন, ভোট চুরির জন্য কাউকে নোবেল দেয়া হলে সেটা অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে শুধু গণতন্ত্র নয়, সব সেক্টরের গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে।