গ্রামীণ ফোনের বিরুদ্ধে বাবুরহাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন


স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর বাবুরহাটে গ্রামীণ ফোনের টাওয়ারের জেনারেটার বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানববন্ধন করেছেন। গতকাল সোমবার দুপুর ১টায় বাবুরহাট মধ্যে বাজারে বাজারের সকল ব্যবসায়ীসহ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এ মানববন্ধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাবুরহাট বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খান, বারেক মার্কেটের মালিক আ. বারেক, মামুন মৃধা, ডা. নন্দলাল আশ্চর্য, হুমায়ূন মিজি, মোস্তফা কাজী প্রমুখ।
বাবুরহাট বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দাবি করে বলেন, গ্রামীণ ফোনের টাওয়ারের জেনারেটর অপরিকল্পিতভাবে রাখার জন্য এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাদের কারণেই আজ বাবুরহাটের কয়েকজন ব্যবসায়ীরা নিঃস্ব হয়েছে। অনেক পথে বসার উপক্রম হয়েছে। অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করেছেন। কিন্তু এমন অপ্রত্যাশিত অগ্নিকা-ের কারণে কারা এখন চোখে মুখে শর্ষে ফুল দেখছে।
বাবুরহাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও তাদের ক্ষতির পরিমাণ হচ্ছে- বাটার ঘর প্রোপাইটার এম এ রহমানের ক্ষতির পরিমাণ ৬ লাখ টাকা, বাসনা জুয়েলার্স প্রোপাইটার বাসুদেব বনিকের ক্ষতির পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা, আ. মান্নান মিজি ক্ষতির পরিমাণ ৭ লাখ টাকা, মাহার্ডওয়ার প্রোপাইটার জসিম উদ্দিনের ক্ষতির পরিমাণ ৪০ লাখ টাকা, নাছির হোসেনের ক্ষতির পরিমাণ ২০ লাখ টাকা, কাজী হার্ডওয়ার প্রোপাইটার শামীম কাজীর ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লাখ টাকা, মোস্তফা কাজীর ফলের গোডাউনের ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা, আবুল হোসেন ভূঁইয়া ফলের গোডাউনের ক্ষতির পরিমাণ ৩ লাখ টাকা, আ. রহমান গাজীর গোডাউনের ক্ষতির পরিমাণ ১০ লাখ টাকা, আবু সালেহ ৩টি জেনারেটরের ক্ষতির পরিমাণ ২০ লাখ টাকা, গোলাপ দে ম্যানশ, প্রোপাইটার স্বপন কুমার দে’র ক্ষতির পরিমাণ ১০ লাখ টাকা, হোটেল মাতৃভান্ডারের ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা, হান্নান মিজির ২টি আবাসিক বাড়ি, তার ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা, বারেক মিজির আবাসিক বাড়ি, তার ক্ষতির পরিমাণ ৮ লাখ টাকা, জাফর খানের ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা, মান্নাফ খানের ক্ষতির পরিমাণ ৫ লাখ টাকা, ইকবাল হোসেন তুলার গোডাউন, তার ক্ষতির পরিমাণ ২০ লাখ টাকা, নিরু করের গোডাউনের ক্ষতির পরিমাণ ১০ লাখ টাকা।
মোট ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকার ক্ষতির কথা উল্লেখ করে চাঁদপুর মডেল থানায় ব্যবসায়ীদের পক্ষে এম এ রহমান সাধারণ ডায়রি করেন।