ফরিদগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
চাঁদপুর আদালতে হাজিরা দিতে যেয়ে বেদম পিটুনি ও হামলার শিকার হয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের বর্তমান নেতৃবৃন্দ। এ ব্যাপারে গত বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমানের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন আহমেদ লিখিত বক্তব্যে জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারীর দায়েরকৃত মামলায় তিনিসহ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানসহ ৪৮ জন নেতাকর্মী গত বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর আদালতে হাজিরা দিয়ে বের হয়। এসময় সন্ত্রাসী বাহিনী আমাদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে তিনি নিজেসহ আমাদের অন্তত যুবলীগ আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল আজিজ, ছাত্রলীগ নেতা কামরুল, নেওয়াজসহ ১০/১২ জন নেতাকর্মী মারাত্মক আহত হয়। পরে কোর্টে কর্মরত পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে ফরিদগঞ্জে চলে আসেন তারা। পরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয়া হয়।
এসময়ে তিনি বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে কি পুরো জেলা প্রশাসন জিম্মি। বারংবার কেন আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আমরা হামলার শিকার হচ্ছি। আমরা এই ঘটনা রোধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং বিচার বিভাগের কাছে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।
তিনি আরো বলেন, আমরা উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ তথা চাঁদপুর সদরে একের পর এক নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি চাই।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলন করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা হবে বলে জানতে পেরে জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম রিপনের নেতৃত্বে একটি জঙ্গি ও অস্ত্রধারী মিছিল তাদের অফিসে হামলার পরিকল্পনা করে। যা পুলিশ তাদের মিছিল ঠেকিয়ে দেয়ায় তারা রক্ষা পেয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে হেলাল উদ্দিন জানান।
এদিকে অপর এক প্রশ্নের জবাবে সে জানায়, চাঁদপুরে ঘটনার পর ফরিদগঞ্জে সৃষ্ট ঘটনার পর মিছিল, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত তা তিনি জানেন না। তবে আমাদের উপর হামলার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মিছিল সমাবেশ করতে পারে। তবে অন্য ঘটনাগুলোর বিষয়ে জানি না। তবে ভাংচুরের ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের সহায়তা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন তারা।
