শাহ্ আলম খান
চাঁদপুর জেলায় করোনা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। বর্তমানে গড়ে আক্রান্তের হার ২০% এর অধিক। এমতাবস্থায় চাঁদপুর জেলাবাসীর জন্য সতর্কতা ও পালনীয় সম্পর্কে ‘চাঁদপুর ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ’ নামে ফেসবুক একাউন্টে বক্তব্য দিয়েছেন পুলিশ সুপার।
সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ যা বলেন, প্রিয় চাঁদপুরবাসী, আস্সালামু আলাইকুম। আপনারা জানেন সারা বিশে^র মানুষ আজকে একটি বিশেষ ভাইরাসের কাছে প্রায় পরাদস্থ হয়ে গেছে। সে ভাইরাসের নাম হচ্ছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। সারা বিশে^র ধনী ও গরিব রাষ্ট্রের লোকজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। এটি এমনটি একটি ভাইরাস যা আমরা চোখে দেখতে পাই না। এর অস্তিত্ব আমরা বুঝতে পারি যখন এতে আক্রান্ত হই। আর এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে নিকটাত্মীয়সহ কাছের লোকজন কেউ কাছে থাকতে পারে না। এর কষ্টটা বুঝতে পারে যে ব্যাক্তি আক্রান্ত হচ্ছে সে এবং তার পরিবার।
আপনারা জানতে পেরেছেন ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি জেলা স্থানীয়ভাবে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে আমাদের প্রতিবেশী জেলা নোয়াখালী, নারায়নগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ রয়েছে। এটি আমাদের দোরগোড়ায় নক করছে। এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে হলে আমাদের কয়েকটি বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। জীবন যাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। আমার মত যারা সাধারণ মানুষে আছেন, তাদের জন্য বলবো, আসুন আমরা যখন বাহিরে যাচ্ছি, তখন অবশ্যই মাস্ক পরে যাই। প্রয়োজন ছাড়া আমরা যেন বাইরে না যাই এবং বাইরে গেলে কোন কিছু স্পর্শ করলে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুই অথবা হ্যান্ড স্যানেটাইজার ব্যবহার করি। সব প্রকার সভা সমাবেশ থেকে আমরা বিরত থাকি এবং বাহিরে থেকে যখন আমরা বাসায় আসি, তখন আমার পরিধেয় কাপড়সহ শরীর পরিচ্ছন্ন হয়ে বাসায় প্রবেশ করি।
হোটেল মালিকদের উদ্দেশে বলবো, আপনারা খাবার বিক্রি করবেন, আপনাদের হোটেলে বসে খেউ খাবে না। এই পদ্ধতি চালু করেন। বসে খাবার বিক্রি থেকে বিরত থাকুন।
আসুন, আমরা সবাই মিলে এসব জিনিসগুলো মানি এবং চাঁদপুরকে কঠোর লকডাউনের হাত থেকে রক্ষা করি। নিজে বাঁচি এবং পরিবারকে বাঁচাই। ধন্যবাদ।
২৮ জুন, ২০২১।
