চাঁদপুরে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


উন্নয়ন মেলা দিয়ে মুজিববর্ষ শুরু করবো
…..জেলা প্রশাসক

এস এম সোহেল
চাঁদপুর জেলা মাসিক উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, আপনারা নিজেরাই নিজেদের কাজের পুরস্কার দিতে পারেন। সরকারের উন্নয়ন কাজ সেগুলো তুলে ধরতে হবে। মুজিববর্ষ শুরু করবো আমরা উন্নয়ন মেলা দিয়ে। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞ চলছে। আমাদের চাঁদপুরে যেসব কর্মকা- হয়েছে সেগুলোও তুলে ধরতে হবে। বর্তমানে চাঁদপুরে যা ঘটছে তাতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কী ভূমিকা পালন করা উচিত সে বিষয় নিয়েও আমাদের ভাবনা রয়েছে। যত কিছুই ঘটুক আমাদের স্বপ্ন হলো জাতির জনকের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা। সরকারের প্রতিটি বিভাগ সমন্বয়ের মাধ্যমে যদি সমস্যা থাকে, তা তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরো বলেন, রোকেয়া পদক প্রধানমন্ত্রী দিচ্ছেন। এজন্য চাঁদপুরে নারীদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ২০১৩ সাল থেকে জয়িতা পুরস্কার শুরু হয়েছে। চাঁদপুরে অনেকে জয়িতা পুরস্কার পেয়েছে। আমরা প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে রোকেয়া পদকের জন্য নাম চেয়েছিলাম। কিন্তু কোন কর্মকর্তাই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নামের তালিকা দেননি।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, রাঙামাটিতে কোন ফৌজদারি মামলা নেই। কোন ধরনের ঘটনা ঘটলে তারা নিজেরাই সেই সমস্যার সমাধান করবে। যার ফলে আদালতে বা থানাতে গিয়ে কোন মামলা করতে হয়ে না। চাঁদপুরে গ্রাম আদালতে অনেক কাজ হয়েছে। আমরা সেই তথ্য সংগ্রহ করেছি। যে কোন সময় একটি ইউনিয়নকে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে ভালো দেখতে পেয়ে তার কর্মকা-ের ভালো ফলাফলের ঘোষণা আমরা দেব।
জেলা প্রশাসক বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে এই হাসপাতালে ৩৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। দেশের ডেঙ্গু আক্রান্ত থেকে চাঁদপুর জেলা অনেক ভালো আছে।
মোবাইল কোর্ট বিষয়ে বলেন, আমরা মোবাইল কোর্ট করবো, জরিমানা করার জন্য নয়, প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করার জন্য। কারা ভালো ব্যবসায়ী তাদের উৎসাহিত করতে হবে। আর অসাধু ব্যবসায়ীদের জেলে পাঠানো হবে।
মা ইলিশ রক্ষার বিষয়ে বলেন, আগামি ৯ অক্টোবর থেকে ইলিশ রক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে। এ বছরও আমরা ২২ দিনের এই অভিযান সফলভাবে করবো। জেলেদের সচেতন করতে আমরা বড় আকারে নৌ-র‌্যালি করবো।
বিগত মাসের কার্যবিরণী ও অগ্রগতি তুলে ধরেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জামাল হোসেন। সভায় স্ব-স্ব বিভাগের বিভিন্ন দিকের বর্তমান অবস্থান তুলে ধরেন বিভাগের কর্মকর্তারা।
সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান, সিভিল সার্জন ডা. মো. শাখাওয়াত উল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইলিয়াছ, হাইমচর উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এনএসআই’র যুগ্ম-পরিচালক মো. আজিজুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন, ২৫০ শয্যা সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আনোয়ারুল আজিম, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এএসএম দেলওয়ার হোসেন, চাঁদপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, মতলব দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান এএইচএম গিয়াস উদ্দিন, মতলব উত্তর উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ কুদ্দুস, কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহাজাহান শিশির, শাহরাস্তি উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ উল্যাহ, হাজীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী মাঈনুদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. সফিউদ্দিন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. সামসুজ্জামান, গণপূর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহ্ আলম, ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ মনির, আঞ্চলিক পাসপোর্ট কর্মকর্তা মো. তাজ বিল্লাহ, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বডুয়া, হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিদুল ইসলাম, শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তারসহ স্থানীয় সব দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।
ই-গভার্ন্যান্স কার্যক্রম প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিটি বিভাগকে তাদের কার্যক্রম জেলা ওয়েব পোর্টালে আপলোড ও আপডেট করতে হবে। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতে লেখা তথ্য উপস্থাপন করতে হবে। তাছাড়া সব দপ্তরের প্রকল্পের তালিকা পোর্টালে দেয়া হয়েছে কিনা তা যাচাই করে দেখার জন্য সহকারী কমিশনার ও আইসিটি শাখাকে নির্দেশ দেয়া হয়। আগামি ১ মাসের মধ্যে সব বিভাগ এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাঁদপুর ই-ফাইলে কাজ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
জাতীয় পর্যটন সংস্থা প্রসঙ্গে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো পর্যটন খাত থেকে কাক্সিক্ষত আর্থিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/ সংস্থাসমূহের উন্নয়ন পরিকল্পনা পর্যটনকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
জেলা পরিষদ প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জেলা পরিষদের রাজস্ব খাতে প্রকল্পের সংখ্যা ৭৯৭টি। যা’ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায়। এডিপি সাধারণ খাতে গৃহিত প্রকল্পের সংখ্যা ২৯৮টি। এর মধ্যে ৩৪টি প্রকল্পের কাজ প্রায় ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ প্রসঙ্গে বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছে। প্রস্তাবিত ২৯১টি কমিনিউটি ক্লিনিকের মধ্যে ২২০টি চালু রয়েছে। ই-হেলথ কার্যক্রম জুলাই মাসে জেলায় স্কাইপি/ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ই-হেলথ সেবা দেয়া হয়েছে। সেবা প্রাপ্তি রোগীর সংখ্যা ৫৯৩ জন। জুলাই মাসে ২১টি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এর মাধ্যমে ২৭৭২জন রোগীকে সেবা দেয়া হয়েছে। ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগ প্রসঙ্গে বলেন, গণপূর্ত বিভাগের অধীনে বর্তমানে ৩৩টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। তার মধ্যে মেরিন একাডেমীর অবকাঠামোগত কাজ শেষ হয়েছে। পুলিশ লাইনে নারী পুলিশের জন্য ৬ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৯২ ভাগ। মতলব দক্ষিণ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন নির্মাণ কাজ চলমান। কাজের অগ্রগতি ৯৩ ভাগ। মতলব উত্তর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিস ভবন নির্মাণ কাজ চলমান। কাজের অগ্রগতি ২৭ ভাগ। চাঁদপুর সদর উপজেলার আলুর বাজার ও মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ প্রসঙ্গে বলেন, চাঁদপুর সড়ক বিভাগের রাস্তাগুলো সংস্কার/মেরামত কাজ চলমান রয়েছে। গৌরিপুর-কচুয়া-হাজীগঞ্জ সগকের যথাযথমানে উন্নীতকরণ প্রকল্পটির কাজ চলমান রয়েছে। কাজের অগ্রগতি ৯৩ ভাগ। দোয়াভাঙ্গা-শাহরাস্তি-পানিওয়ালা (রামগঞ্জ) যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ শীর্ষক প্রকল্পটির কাজ চলমান। কাজের অগ্রগতি ৩০ ভাগ।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রসঙ্গে বলেন, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে মোট ৫১৭২৯.৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৭২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫২টি প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। ৩৭২টি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে, যা প্রায় ৬৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রসঙ্গে বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ১৯০৭৭.০৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মেঘনা নদী ভাঙন হতে চাঁদপুর জেলার হরিণা ফেরিঘাট এলাকা এবং চরভৈরবী এলাকার কাটাখাল বাজার রক্ষা কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি আগামি ২০২০ সালের জুলাই মাসের মধ্যে শেষ হবে। কাজের অগ্রগতি ১৭.৯৪ ভাগ। চাঁদপুর সদর উপজেলার আলুর বাজার ফেরিঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় মেঘনা নদীর ডান তীরের ভাঙন রক্ষার্থে ২টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মেঘনা-ধনাগোদা পাওর বিভাগ প্রসঙ্গে বলেন, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাধীন মেঘনা-ঘনাগোদা সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন অবকাঠামো মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ষাটনল আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন ভাঙন এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রসঙ্গে বলেন, জেলার ৮টি উপজেলায় ১১টি প্রকল্পের আওতায় ২০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১৪৮০.৫৭ লাখ টাকার কাজ চলমান রয়েছে। যা প্রত্যেকটি ৫৮ ভাগের উপরে রয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিস প্রসঙ্গে বলেন, চাঁদপুর জেলায় আইসিটি সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০৫টি। মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম সক্রিয় রয়েছে ৪৬৭টি। সার্বিক কাজের মান সন্তোষজনক।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রসঙ্গে বলেন, আউস বীজতলা লক্ষ্যমাত্রা ১৩৩৯ হেক্টর, অর্জন ১৫৩৩ হেক্টর। আউস আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ২৫৭২১ হেক্টর, অর্জন ১০৭০ হেক্টর। সারের মূল্য ও বিতরণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে ১৮৮৬ মেট্রিক টন, টিএসপি সার মজুত রয়েছে ৩৫৮ মেট্রিক টন, এমওপি সার মজুত রয়েছে ১৯০ মেট্রিক টন এবং ডিএপি সার মজুত রয়েছে ৯২ মেট্রিক টন। আপাতত কোন সমস্যা নেই।
পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ প্রসঙ্গে বলেন, পরিবার-পরিকল্পনা বিভাগের জুলাই মাসে চাঁদপুর জেলার সার্বিক কাজের মান সন্তোষজনক। জুলাই মাসে ৫৮ জন পুরুষ ও ১২৭ জন নারী স্থায়ী পদ্ধতি, ৩৩৫ জন আইইউডি এবং ৭০৪ জন ইমপ্ল্যান ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস প্রসঙ্গে বলেন, জেলার ২৬টি গুদামে বর্তমানে মোট ১১৭০৭.২৪৭ মেট্রিক টন চাল, ১৭০.০৬৭ মেট্রিক টন গম মজুদ রয়েছে। জুলাই মাসে বিভিন্ন খাতে ৩৫৯৫.৭৯৩ মেট্রিক টন চাল ও ৩৭৩.৭৩০ মেট্রিক টন গম বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস প্রসঙ্গে বলেন, জুলাই মাসে মাসে ১৩৬৫৬টি গবাদি প্রাণি এবং ২৪৪১০০টি হাঁস-মুরগিকে টিকা প্রদান করা হয়েছে। মোট ৬১৬১টি গবাদি প্রাণি এবং ১১৭৯৭৭টি হাঁস-মুরগিকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রসঙ্গে বলেন, জুলাই মাসে ৩৪টি অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২১ লাখ ২০ হাজার ৫শ’ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ১০ কোটি ৫৪ লাখ ৪২ হাজার ৫শ’ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনা হয়েছে ৪টি। পানিতে ডোবার সংখ্যা ১টি। মৃতদেহ উদ্ধার ২।

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯।