চাঁদপুরে পেঁয়াজের দর আকাশছোঁয়া

শাহ আলম খান
গত ৪ মাসে পেঁয়াজের পাইকারী ও খুচরা বাজার স্থিতিশীল নেই। শহরের একেক বাজারে দর একেক রকম। পাইকারী দর ১১০ থেকে ১১৫ টাকা, খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সিন্ডিকেট ও অতি মুনাফার লোভে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ এবং বাজার মনিরটরিং না থাকায় এই অবস্থা বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
গতকাল সোমবার সকালে শহরের প্রধান কাঁচা বাজার পালবাজারে ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারী আড়ৎগুলোতে বড় সাইজের পেঁয়াজ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১১২-১১৫ টাকা। ছোট সাইজের দেশীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা করে।
পালবাজারের আড়ৎদার মনির ও রুবেল জানান, আমরা যশোর থেকে পেঁয়াজ এনেছি। সেখানে থেকে ক্রয় করা হয় ৯৫ টাকা করে। তারপর পরিবহন খরচ শেষে এবং পচা পেঁয়াজ আলাদা করে আমাদের বেশি দরেই বিক্রি করতে হয়।
আরেক পাইকারী ব্যবসায়ী রহিম মিয়াজী বলেন, আমরা তো খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বস্তা বিক্রি করি। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা তাদের ইচ্ছেমতো ভিন্ন-ভিন্ন দামে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। এতে করে বাজারে সব ব্যবসায়ীদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
এদিকে শহরের পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে কম পরিমাণে পেঁয়াজ এনে বিক্রি করছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি দরে। মহল্লার দোকানগুলোতে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার নিচে পেঁয়াজ ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।
শহরের একাধিক বাসিন্দার সাথে আলাপ করে জানা গেছে, পেঁয়াজের মূল্য যখন কম ছিলো তখন অনেকেই একত্রে ৫-৭ কেজি ক্রয় করেছেন। কিন্তু এখন ওই টাকায় ১ কেজি পেঁয়াজও পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে পেঁয়াজ অহরহ মওজুদ থাকলেও সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ ক্রেতারা হয়রানি হচ্ছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণে তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।