চাঁদপুরে ফলের দোকানে ক্রেতা কমলেও দাম চড়া

স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুরের বাজারগুলোতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতেই সাধারণ মানুষ হিমশিম খেতে হচ্ছে। তারপরে ফল ক্রয় করাটা অনেকের জন্য দুঃস্বপ্ন। যে কোন বয়সী মানুষের জন্য প্রতিদিন কম-বেশি ফল খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সম্ভব হয়ে উঠছে না। তাই ফলের দোকানগুলোতে ফলের সমারোহ থাকলেও ক্রেতার সংখ্যা খুবই কম। তারপরে আবার হরেক রকম ফলের মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চাঁদপুর শহরের কালিবাড়ী ও পালবাজার এলাকার ফল দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানেই ফলের আমদানি রয়েছে আগের মতই। তবে শীতের কারণে কমলার আমদানি কিছুটা বেড়েছে।
পাল বাজারের ফল ব্যবসায়ী স্বপন ও চন্দন বলেন, প্রতিকেজি আপেল ১৫০ টাকা, ছোট আপেল ১৮০ টাকা, পেয়ারা বড় সাইজের ৮০ টাকা, দেশীয় পেয়ারা ১২০ টাকা, তেঁতুল ১১০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, মুসাম্বি ১৪০-১৫০ টাকা, কমলা প্রতিকেজি ১৮০-২০০ টাকা, পাকা পেঁপে ১৩০ টাকা ২০০ টাকা, আনারস প্রতিপিস ছোট ৬০ টাকা, মাঝারি ৮০-৮৫ টাকা ও বড় সাইজের ১৫০ টাকা। লাল আঙ্গুর ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা, সাদা আঙ্গুর ২৪০ থেকে ২৭০ টাকা।
একই বাজারের ফল ব্যবসায়ী মিজান বেপারী ও রুস্তম খান বলেন, ফলের ক্রেতা না থাকার কারণে আমাদের দোকানে থাকা অধিকাংশ ফলই পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে বেশি নষ্ট হয় আঙ্গুর, পেঁপে, মুসাম্বি ও আপেল। প্রতিদিনই আমাদের লাভ না হলেও লোকসান গুণতে হচ্ছে। ক্রেতা কম থাকার কারণে আমরা ফলের আমদানিও কম করছি। যার কারণে বাজারে মূল্য বেশি।