আ.লীগের জুলুম-নির্যাতন ও ভোট চুরি জনগণ সহ্য করতে চায় না
………….জয়নুল আবদিন ফারুক
স্টাফ রিপোর্টার
কেন্দ্রিয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে চাঁদপুরে বিএনপির গণমিছিল বের করা হয়। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোডের সামনে মিছিলের আগে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।
চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে গণমিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের জুলুম-নির্যাতন এবং ভোটচুরি সহ্য করতে চায় না। এভাবে আর দেশ চলতে পারে না। জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম কমাতে হবে। আমাদের প্রিয় নেতা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সব রাজবন্দীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ আমাদের নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। সে ঘোষণায় উজ্জীবীত হয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। সেই স্বাধীনতার সুফল আজ আওয়ামী লীগ শেষ করে দিয়েছে। তাই আমাদের মিছিলের স্লোগান হবে আর তোমাদের ক্ষমতায় থাকতে দিতে চায় না দেশের মানুষ। স্লোগান হবে তেল ও বিদ্যুতের দাম কমাতে হবে। ২০ হাজার টাকার জন্য আর কোন কৃষককে গ্রেফতার করা যাবে না। যারা এদেশের টাকা পাচার করে, করোনার সার্টিফিকেট জাল করে তাদের বিচার আজকে এই দেশে হয় না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সলিমুল্লাহ সেলিম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহাবুব আনোয়ার বাবলু, মুনির চৌধুরী, খলিলুর রহমান গাজী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান বাবুল, পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুনুর রশিদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খানসহ জেলা, সদর, শহর ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
সমাবেশ শেষে চিত্রলেখা মোড় থেকে গণমিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
এদিকে বিএনপির গণমিছিলে যেনো কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। অন্যদিকে সকালে জামায়াত-শিবিরের একটি মিছিল বের করলে সেখান থেকে জামায়াত-শিবিরের বেশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ১০ দফা বাস্তবায়ন এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীসহ আটক সব নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিতে এ গণমিছিল বের করা হয়।
২৫ ডিসেম্বর, ২০২২।
