চাঁদপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে জরুরি লাইন রক্ষণাবেক্ষণ চলছে

বালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে


সজীব খান
মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে চাঁদপুর সদর উপজেলা বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রে জরুরি লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়ার জন্য চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ আওতাধীন বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ তারা করছেন। বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের আওতাধীন প্রতিটি ইউনিয়নের যাতে বিদ্যুতের কোন প্রকার ত্রুটি না থাকে সেজন্য সমিতির নিদের্শনা অনুযায়ী কাজ করছেন তারা। বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ কাজ করা হচ্ছে।
বালিয়ার একাধিক গ্রাহকের সাথে কথা বললে তারা জানান, বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর থেকে গ্রাহকদের সেবার মান শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যায় নিয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। ঐ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুতের সংযোগ পাওয়ার জন্য অন্যায়ভাবে কাউছে টাকাও দেয়ার প্রয়োজন হয়নি। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশন নিয়ে তারা কাজ করছেন। সরকার ঘোষিত প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া ঘোষণাকে বাস্তবায়নের পথে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি হাটছেন।
বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বর্তমান সরকার যেভাবে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকদের সেবার মান শতভাগ নিশ্চত করার জন্য ঘোষণা দিয়েছে, সে লক্ষ্যেই আমি কাজ করে যাচ্ছি। ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়, তাই আমি ও সে কথার বাস্তাবতার প্রতিফলন ঘটাতে চেষ্টা করছি। এজন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের গ্রাহকসহ সবার সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। যাদের পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ প্রয়োজন, তারা সরাসরি অফিসে আসলেই দ্রুত লাইন পাবেন। কারণ, আমাদের কাজই হচ্ছে গ্রাহকদের উত্তম সেবা নিশ্চিত করা।
বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম বলেন, বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার ফলে বালিয়াসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছে। মানুষের কষ্ট পুরপুরি লাঘব হচ্ছে। বালিয়ার ইনচার্জ সঠিকভাবে মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সাবেক সভাপতি মাসুদ পাঠান বলেন, বালিয়া অভিযোগ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর থেকে এ অঞ্চলে লোডশেডিং অনেকটা কমে গিয়েছে। আগে যেখানে দিনে ৫/৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যেত, এখান সেখানে দিনে ১৮/১৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। রাতারাতি কোন কিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি লোডশেডিং নিরসনের জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। যে কোন সাব-স্টশনের নতুন লাইন সংযোগ পরিবর্তন করতে হলে সময় লাগে। যারা এখন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে কাজ করছেন তারা অত্যন্ত দক্ষ ও পরিশ্রমী। তারা পল্লী বিদ্যুতকে এগিয়ে নিতে ব্যাপকহারে কাজ করছেন।