চাঁদপুরে লঞ্চের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার
গার্মেন্টসহ রফতানিমুখী শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়। রোববার (১ আগস্ট) ভোর থেকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মোট ১১ টি যাত্রীবাহী লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
এদিকে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী কোন লঞ্চ না পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী। প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টা ধরে লঞ্চের অপেক্ষায় হাজার হাজার যাত্রী। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যাত্রীর চাপে স্বাস্থ্যবিধি বিলীন হয়ে গেছে। লঞ্চঘাটের পুরো পল্টন জুড়ে যাত্রী আর যাত্রী। শুধু তাই নয়, পুরো লঞ্চঘাট এলাকা জুড়ে যাত্রীর চাপে হিমসিম খাচ্ছে কতৃপক্ষ।
চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ইকবাল গাজী নামের এক যাত্রী বলেন, ঢাকা যাওয়ার জন্য লঞ্চঘাটে এসে দেখি কোন লঞ্চ নেই। আমাদের সাথে কি ফাজলামো শুরু হয়েছে নাকি। দেড় ঘন্টা ধরে দাড়িয়ে আছি, কোন লঞ্চ নেই। লঞ্চ না আসলে এই মানুষগুলো কি ভাবে ঢাকায় যাবে। আমাদের উপর এক প্রকার নির্যাতন শুরু হয়েছে।
চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, যাত্রী অনুযায়ী ঘাটে লঞ্চ কম ছিল। যেই পরিমান যাত্রী, তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে আমাদের হিমসিম খেতে হয়েছে। আমরা নৌ পুলিশের মাধ্যমে ঘাটে মাইকিং করে সতর্কতা ও সচেতনত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।
এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র উপ-পরিচালক কায়সারুল ইসলাম বলেন, বেলা ১১ টার পর থেকে লঞ্চঘাটে কোন লঞ্চ ছিল না। চাঁদপুর থেকে ১১টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। লঞ্চ কম থাকায় যাত্রীর চাপ অনেক ছিল। ঢাকা থেকে সোনার তরী ও ইমাম হাসান লঞ্চ আসলে আটকেপড়া কিছু যাত্রী ঢাকায় যায়। তবে যে পরিমাণ যাত্রী আরো ৪-৫টি লঞ্চ থাকলেও হবে না।
০১ আগস্ট, ২০২১।