এস এম সোহেল
গত ৮ মাসে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়রি হয়েছে ৩৫৫টি। এরমধ্যে ৩১০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এদের মধ্যে শিশু, কিশোর, কিশোরী, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা রয়েছে। নিখোঁজ ডায়রিগুলোর মধ্যে পরকীয়া ও প্রেম-ভালবাসায় কারণে ঘর ছাড়ার সংখ্যাই বেশি। গড়ে প্রতিমাসে ৪৬টি করে নিখোঁজ ডায়রি হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮ মাসে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়রি হয়েছে ৩৫৫টি। এরমধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৩১০টি। বাকিগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।
এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘর ছেড়েছে কথিত রোমিও-জুলিয়েটরা। উঠতি বয়সি তরুণ-তরুণী সোস্যাল মিডিয়ায় পরিচয়, অতপর প্রেম ভালোবাসা, সবশেষে ঘর ছেড়ে পালানোদের সংখ্যা বেশি। পিছিয়ে নেই পরকীয়া প্রেমিকরাও। স্বামী বিদেশ কিংবা পেশাগত কাজে ব্যস্ত- এ সুযোগে স্ত্রী পালিয়ে যায় অন্য পুরুষের সাথে, এদের সংখ্যাও কম নয়। তবে নিয়মিত নিখোঁজ ডায়রিতে মানষিক ভারসাম্যহীন, বৃদ্ধা ও শিশুদের তালিকাও ছোট নয়। সব মিলিয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়রি বিগত সময়ের চাইতে বেড়েছে দ্বিগুণ।
এদিকে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ নিখোঁজ ডায়রি তদন্তে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানায় ৮ মাসে নিখোঁজ ডায়রিগুলোর মধ্যে ওসি আব্দুর রশিদের বলিষ্ট নেতৃত্বে ৩১০ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
চাঁদপুর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, প্রতিদিনই নিখোঁজ ডায়রি হচ্ছে। মানষিক ভারসাম্যহীন, শিশু-কিশোরসহ প্রেম ভালোবাসা ও পরকীয়ার ঘটনায় নিখোঁজ ডায়রি বেশি হয়। পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে এসব ঘটনা বেশি ঘটছে। এছাড়া সোস্যাল মিডিয়ার অভিশপ্ত আগ্রাসন তো রয়েছেই। তবে নিখোঁজ ডায়রির বিপরিতে আমাদের পুলিশ উদ্ধারে ভালো কাজ করছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২।
