
বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচ্চার ছিলেন কবি নজরুল
…………….. শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
শাহ আলম খান
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কবি নজরুল তাঁর গানে কবিতায় ছাত্র সমাজ ও তরুণদের প্রতি প্রবল আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানতেন তরুণরাই সমাজ পরিবর্তনের চাবিকাঠি। তিনি আমাদের জাতীয় জাগরণের তূর্যবাদক, জাতিসত্তার অন্যতম প্রাণ পুরুষ ছিলেন। একটি শিক্ষিত ও স্বনির্ভর জাতি গঠনে তিনি সব সময় লিখনি সচল রেখেছিলেন। সর্বহারা মেহনতি, বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন সোচ্চার। গতকাল বুধবার দুপুরে চাঁদপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় নজরুল সম্মেলন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা-গান অনুপ্রাণিত করেছে বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নজরুলের লেখা থেকেই নিয়েছেন আমাদের মুক্তির স্লোগান ‘জয় বাংলা’। স্বাধীনতার পর পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে জাতির পিতার ঐকান্তিক উদ্যোগে কবিকে স্বপরিবারে বাংলাদেশে এনে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয় এবং জাতীয় কবি হিসেবে আসীন করা হয়। নজরুলের জীবনের শেষ শয়ানও হয় এই বাংলার শ্যামল মাটিতে।
কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের আয়োজনে এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুর রহিম।
জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে মুখ্য আলোচকের বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রাজ্জাক ভূঞা।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক সচিব ও বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ফারুক হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম পাটওয়ারী দুলাল এবং চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমির মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত।
এর আগে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহর প্রদক্ষিণ করে শিল্পকলায় এসে শেষ হয়। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে প্রশিক্ষণ, গ্রন্থমেলা, সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্যানুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।
