চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সদ্যবিদায়ী জেনারেল ম্যানেজারের কার্যকালের চিত্র


সজীব খান
চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু তাহের চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ তে যোগদানের পর সমিতি থেকে বদলি হওয়া পর্যন্ত তার সুদক্ষ কর্মদক্ষতায় সমিতিতে ব্যাপক পরিবর্তন করেছেন। তিনি শতভাগ গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করেছেন। মানুষের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতিটি কর্মকান্ড সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চাঁদপুরে প্রত্যান্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারি প্রতিটি কথা তিনি যথাযথভাবে পালন করেছেন, শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন করেছেন। সমিতি থেকে দালাল উৎখাত করেছেন। যে কোন গ্রাহক সরাসরি তার কার্যালয়ে যাওয়া মাত্রই কাজ করে দিয়েছেন। হাসি মুখে গ্রাহকদের বিদায় দিয়েছেন। নিজের কর্মদক্ষতা দিয়ে চাঁদপুরের মানুষের মনের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছেন।
মোহাম্মদ আবু তাহের যেভাবে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ তে কাজ করেছেন, কালের আবর্তে তা একসময় ইতিহাস হয়ে থাকবে। মানুষ বাঁচে কর্মে, বয়সে নয়। তারই প্রতিফলন করেছেন সমিতি থেকে সদ্যবিদায়ী জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু তাহের। সদা হাস্যোজ্জ্বল এ মানুষটি বদলির কথা চাঁদপুরে প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ যখন জানতে পেরেছে তখন সবার মানে সামান্যটুকু কষ্ট হলেও অনুভব হয়েছে।
মোহাম্মদ আবু তাহের চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ তে ২০১৫ সালের জুন মাসে যোগদান করেন। সমিতিতে যোগদানের পর যেসব উন্নয়ন করেছেন সেগুলো হচ্ছে- চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ তে তিনি যোগদানের সময় সমিতির নির্মাণ লাইন ৩,১৪০ কিলোমিটার ছিলো। এটাকে বৃদ্ধি করে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ২,৪১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত করে মোট লাইন ৫,৫৫৯ কিলোমিটারে রুপান্তর করেন। সংযোগ গ্রাহক সংখ্যা ১,৬২,২৬৭ ছিলো। তার কর্মকালে ২,২১,০১২ জন গ্রাহক রুপান্ত করে মোট গ্রাহক ৩,৮৩,২৭৯ জন গ্রাহক করেন।
উপ-কেন্দ্রের সংখ্যা ও ক্ষমতা (এমভিএ) ৪টি ৫৫ এমভিএ ছিল। তিনি ৪টি ৭৫ এমভিএ করে মোট ৮টি, ১৩০ এমভিএ রুপান্তর করেন। নির্মাণাধীন উপকেন্দ্রের সংখ্যা ও ক্ষমতা (এমভিএ) ১টি হাইমচরে ১০ এমভিএ করেন। পিক ডিমান্ড (মেঃ ওঃ) ছিল ৪০, করেছেন ৪৫, মোট ৮৫তে রুপান্তর করেন। সিস্টেম লস ১৫.৮২% ছিল তিনি করেছেন ১০.৪৮ %,। ৩৩ কেভি ফিডার সংখ্যা ছিল ২টি তিনি করেছেন ৩টি মোট সংখ্যা করেছেন ৫টি, নির্মাণাধীন ৩৩ কেভি ফিডার সংখ্যা তিনি করেছেন ৩টি, ১১ কেভি ফিডার সংখ্যা ছিল ২০, তিনি ২১টি করে মোট ৪১টিতে রুপান্তর করেন, নির্মাণাধীন ১১ কেভি ফিডার সংখ্যা আগে ছিলনা তিনি করেছেন ৪টি, রিভার ক্রসিং টাওয়ার সংখ্যা ছিল না, তিনি করেছেন ৩টি সেট, শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন উপজেলা আগে ছিলনা তিনি করেছেন ৫টি, নির্মাণাধীন সদর দপ্তর ভবন আগে ছিলনা তিনি করেছেন ১টি, জোনাল অফিস ৩টি, সাব জোনাল অফিস ছিল না তার কর্মসময়ে করেছেন ২টি, অভিযোগ কেন্দ্র (এরিয়া অফিস) আগে ছিল ৯টি, তিনি বৃদ্ধি করেছেন ৩টি মোট ১১টি সাব জোনাল অফিস উন্নতি করেছেন।
এ গুণী ব্যক্তি চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ তে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন, সমিতিকে দিয়েছেন। এ মানুষটির জন্য সর্বদা শুভকামনা করছেন চাঁদপুরের আপামর জনতা, ভাল থাকবেন, আপনার নতুন কর্মস্থলে।