চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে লড়াই হবে সাবেক দুই ছাত্রনেতার

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন আজ শনিবার। এই প্রথম চাঁদপুর পৌরসভায় ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী ৩ জন থাকলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী ও চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল এবং বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী ও চাঁদপুর কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত ভিপি আক্তার হোসেন মাঝির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হবে।

জানা গেছে, বিএনপির প্রার্থী আক্তার হোসেন মাঝি এর আগেও চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত এবং শহরে পরিচিত।

আর নৌকার মার্কার প্রার্থী মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতীর সাথে জড়িত। পরবর্তীতে গত জেলা আওয়ামী লীগ কমিটিতে শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন। এরপর থেকে তিনি চাঁদপুরের রাজনীতিতে সক্রিয়। এছাড়া করোনাকালীন সময়ে যখন অধিকাংশ নেতা-কর্মী নিজেদের রক্ষায় বাড়িতে অবস্থান করেছেন, ঠিক ওই মুহূর্তে তিনি কিউআরসি নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে করোনায় আক্রান্তদের সেবা, দাফন কাফন ও কর্মহীন মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন এবং এই কাজটি তিনি অব্যাহত রেখেছেন।

ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের মেয়ার প্রার্থী জিল্লুর রহমান জুয়েল ও বিএনপির মেয়র প্রার্থী আক্তার হোসেন মাঝি মেয়র নির্বাচিত হলে কি ধরনের উন্নয়ন করবেন তা নিয়ে একটি ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

আক্তার হোসেন মাঝি বলেন, অনেক আশা নিয়ে আমরা চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। অথচ এখনো নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং অবস্থা বিরাজমান হয়নি। নির্বাচনে অনিয়মের বিষয়গুলো আমি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলে ধানের শীর্ষ অবশ্যই নির্বাচিত হবে।

নৌকা মাকার প্রার্থী মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল চাঁদপুর পৌরসভার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা, বাণিজ্য ও পর্যটন নির্ভর নান্দনিক করে তুলার অঙ্গীকার নিয়ে ভোটারদের কাছে নির্বাচিত করার জন্য আহবান জানাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চাঁদপুর পৌরসভায় বিগত দিনে সাধারণ মানুষ যেসব সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং যেসব অঞ্চলে এখনো উন্নয়ন হয়নি সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবো। আমার কাছে ধনী ও গরিব কোন পার্থক্য থাকবে না। আমি দলীয় মেয়র হিসেবে কাজ করবো না। চাঁদপুর পৌরবাসীর মেয়র হিসেবে আমি কাজ করবো। আমার কাছে যে কোন ব্যক্তি তার সমস্যা নিয়ে প্রাণখুলে কথা বলতে পারবে। তাই আমি আশা করছি পৌরবাসী নিজেদের উন্নয়নের জন্যই নৌকা মার্কায় ভোট দিবে।

১০ অক্টোবর, ২০২০।