স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর পৌরসভারের ১৫নং ওয়ার্ডের ব্যাংক কলোনী এলাকায় সাপ্লাই পানির কৃত্রিম সংকটের কারণে দিশেহারা এলাকার প্রায় এক হাজার পরিবার। দীর্ঘদিন যাবৎ পানির কৃত্রিম সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম করতে তীব্র অসুবিধা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানান। গত শনিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে পানির জন্য একদল নারী-পুরুষ বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করতে দেখা যায়।
পানি সংকটের বিষয়ে স্থানীয়দের সাথে আলাপ করলে তারা জানায়, ব্যাংক কলোনি এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ পানি সরবরাহ ও সংকটের কারণে রান্না ও অজু গোসল, শিশুদের খাবার তৈরি সহ ঘরোয়া সকল ধরনের প্রয়োজনীয় কাজের তীব্র অসুবিধা হচ্ছে। পুরুষরা কোনভাবে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারলেও নারীদের ভোগান্তির শেষ নেই বলে জানায় তারা।
এদিকে চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডের ব্যাংক কলোনী এলাকার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, আমাদের এই এলাকায় প্রায় এক হাজারের বেশি মানুষের বসবাস রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আমাদের এখানে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে।
পানির এই কৃত্রিম সংকটের কারণে অনেকেই বাসা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এতে আমাদের অর্থনৈতিকভাবে অনেক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানায়।
উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক বলেন, সমস্যা উত্তরণের জন্য উল্লেখিত বিষয় ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবীর হোসেন চৌধুরীর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে ও তার বাড়িতে গিয়ে আলাপ করলেও কোন ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা মনে করেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তিরা চাঁদপুর পৌর মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশেই এ ধরনের কাজগুলো করে থাকেন। ফলেই সব অপকর্ম ও বদনামের ভাগ পৌর মেয়রের ওপর বর্তাবে বলে অসাধু ব্যক্তিরা এটাই চাচ্ছেন।
তারা আরো বলেন, পৌর মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ। তিনি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকেন।
পৌর মেয়র উল্লেখিত বিষয়ে সমাধানের লক্ষ্যে সরেজমিনে এসে প্রত্যেকের বাসার টাংকিগুলো চেক করলেই বুঝতে পারবেন আসলে কতটা পানির সমস্যায় আছে ব্যাংক কলোনীর বাসিন্দারা।
উল্লেখিত বিষয় পৌর মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলের সাথে মুঠোফানে আলাপ করলে তিনি জানান, দ্রুত পানি সরবরাহের জন্য পৌরসভার পক্ষ থেকে আমাদের নতুন লাইনের কাজ চলছে। দু’একদিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এবং পানির কৃত্রিম সংকট দ্রুত সমাধান হবে বলে মেয়র জানায়।
এসময় উল্লেখিত সমস্যার বিষয়ে কথা বলেন ব্যাংক কলোনি এলাকার উন্নয়ন কমিটির নির্বাহী সভাপতি মো. তসলিম চৌধুরী, উপদেষ্টা এসএম শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শামীম আহমেদ খান, মহিলা সম্পাদিকা আমেনা বেগম, সহ-মহিলা সম্পাদিকা নাসরিন আক্তার, সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান পাটোয়ারী, মো. খলিলুর রহমান, মো. মানিক মিয়াসহ এলাকার অন্যান্য ভুক্তভোগীরা।
১৯ এপ্রিল, ২০২১।
