চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে ‘ডক্টর সেফটি চেম্বার’ স্থাপন

স্টাফ রিপোর্টার
দেশের চলমান পরিস্থিতির করোনা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করতে চাঁদপুর আড়াইশ’ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালে ‘ডক্টর সেফটি চেম্বার’ স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের টিকেট কাউন্টারের কাছেই এই ডক্টর সেফটি বুথে রোগীদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এতে করে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেকটা নিশ্চিত থাকবেন নমুনা সংগ্রহকারী স্বাস্থ্যকর্মীরা। ফরিদগঞ্জের বাসিন্দার লন্ডন প্রবাসী সাজ্জাদ রশিদ সুমন এ ডক্টর সেফটি বুথ স্থাপনে অর্থায়ন করেছেন।
সেফটি চেম্বারটি উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হাবিব-উল-করিম, সহকারী পরিচালক ডা. এ কে এম মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএমএ’র সভাপতি ডা. সৈয়দ মো. নুরুল হুদা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদুন্নবী মাসুম, চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল, সহকারী রেজিস্ট্রার (অর্থো ও সার্জারি) ডা. মোহাম্মদ ফরিদ আহমেদ চৌধুরীসহ সাংবাদিকরা।
জানা যায়, এতদিন ধরে চাঁদপুরে করোনা আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করা হতো হাসপাতালেরই একটি আলাদা ভবনের কক্ষে। যা ছিল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এতদিন এই হাসপাতালটিতে এমন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় অনেকটা ঝুঁকির মধ্য দিয়েই রোগীদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা। দেশের এই করোনা মহামারিরর ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জেলার একটি প্রধান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে এ ডক্টর সেফটি চেম্বার বুথ স্থাপন করায় এখন অনেকটাই স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত থাকবে বলে মনে করছেন হাসপাতালের চিকিৎসকগণ।
জানা যায়, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাকসুদুর রহমান পাটওয়ারীর তত্ত্বাবধানে এবং লন্ডন প্রবাসী ফরিদগঞ্জের কৃতী সন্তান সাজ্জাদ রশিদ সুমনের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ১৬ মে এই ডক্টর সেফটি চেম্বারটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আর এটি স্থাপন করা হয়েছে হাসপাতালের টিকেট কাউন্টারের সামনে। এখন থেকে নিয়মিত এই সেফটি চেম্বার বুথেই রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল বলেন, চাঁদপুর সদর হাসপাতালটিতে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০জন রোগীর করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এতদিন অনেক ঝুঁকির মধ্য দিয়ে হাসপাতালের একটি কক্ষে রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হতো। এখন থেকে করোনায় আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীদের এখান থেকেই নমুনা সংগ্রহ করা হবে।
তিনি বলেন, এই ডক্টর সেফটিটি সুরক্ষাটা বেশি নিশ্চিত হয়ে থাকে। তাই এটি হাসপাতালে স্থাপন করাতে আমাদের জন্য অনেক ভালো হয়েছে।

১৮ মে, ২০২০।