চান্দ্রায় ভাঙনস্থান পরিদর্শনে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা

স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা চৌরাস্তা থেকে রাধেরভাংতি রাস্তার অংশ বাখরপুর ১নং ও ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বালিয়া এবং ৭নং ওয়ার্ডের ওয়াবদা রাস্তার পশ্চিম অংশে বন্যার পানির স্রোতে ভয়াবহ ভাঙনস্থান পরিদর্শন করে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় ভাঙনস্থান পরিদর্শন করেন জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য ও সদর উপজেলা নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী অ্যাড. মোহাম্মদ মহসীন খান।
এসময় উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, চাঁদপুর সদরের চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা চৌরাস্তা থেকে রাধেরভাংতি এলাকা পর্যন্ত এবং বাখরপুর ১নং, ২নং ও ৭নং ওয়ার্ডের ওয়াবদা রাস্তার পশ্চিম অংশে বন্যার পানির স্রোতে ভয়াবহ ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়। ১৯৮৮ সালের বন্যায় জাতীয় পার্টি ক্ষমতা থাকাকালীন জনগণের পাশে দাঁড়ায়। আজ আমাদের সেই পরিস্থিতি নেই। তবুও আপনাদের দেখতে এসেছি।
এ বিষয়ে আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমার ফেসবুকে পোস্ট করলে জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান আমাকে ফোন দিয়ে খোঁজ-খবর নেন। এজন্য জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খানকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠন ও স্থানীয় লোকজনকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।
ভাঙনস্থান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক মো. মমিন শেখ, চান্দ্রা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ডা. মো. শাহজালাল পাটওয়ারী, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল, ইউনিয়ন যুব সংহতির আহ্বায়ক ও চান্দ্রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল পাটওয়ারী, এলাকাবাসী আলহাজ কালু পাটওয়ারী, জাতীয় পার্টি নেতা ডা. মো. খোকন খান, আবুল কালাম হাওলাদার, মনির শাহ, আল আমিন, মাসুদ হাওদারসহ জেলা জাতীয় পার্টি, সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি, ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা ও এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের চান্দ্রা চৌরাস্তা থেকে রাধেরভাংতি রাস্তার অংশ বাখরপুর ১নং, ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বালিয়া এবং ৭নং ওয়ার্ডের ওয়াবদা রাস্তার পশ্চিম অংশে বন্যার পানির স্রোতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়। ঐ এলাকার হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। বন্যার স্রোতে কয়েক হাজার পরিবারের পুকুরের মাছ ভেসে যায়। এ ব্যাপারে দ্রুত জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং ইউনিয়ন পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
০৯ আগস্ট, ২০২০।