স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নে সম্পত্তিগত বিরোধে ১৬ বছরের হাবিবুল্লাহ নামের এক মাদ্রাসার ছাত্রকে কারাভোগের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। রোববার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ইউনিয়নে দক্ষিণ বালিয়া গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডের খন্দকার বাড়িতে যান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধা সরকার। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের লোকজনদের সাথে কথা বলেন।
পরে তিনি উভয়পক্ষকে সতর্ক করে দিয়ে আসেন। তিনি কেউ কারো বিরুদ্ধে কোন কথা না বলার জন্য বলেন। সবশেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফারুককে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।
জানা যায়, চান্দ্রা ইউনিয়নে দক্ষিণ বালিয়া গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডের খন্দকার বাড়িতে সম্পত্তিগত বিরোধ ও হাফেজ নেমতুল্লাহ খন্দকারের জায়গায় জোরপূর্বক মনির খন্দকার বসতঘর নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে বাঁধা প্রদান করেন। সেই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মনির খন্দকার তার স্ত্রী ৩৫ বছর বয়সী মালেকা বেগমকে দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে বলে সাজানো মামলা নেমতুল্লাহ খন্দকারের ছোট ছেলে মাদ্রাসার ছাত্রকে ফাঁসিয়ে দেয়। সেই ঘটনায় ১৬ বছরের হাবিবুল্লাহ নামের মাদ্রাসার ছাত্র কারাভোগ করেন। বিষয়টি দৈনিক ইল্শেপাড়সহ স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর আদালত তা আমলে নিয়ে আটক ছাত্রকে জামিন দেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটোয়ারী জানান, হাফেজ নেয়ামতুল্লাহ খন্দকারের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করলে ইউনিয়ন পরিষদে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় সমাধান করার চেষ্টা করলেও প্রতিপক্ষরা না আসায় স্থায়ীভাবে সমাধান হয়নি। মনির খন্দকার তার বাড়ির বেড়াতে আগুন লাগিয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানি করার চেষ্টা করে।
২৮ ডিসেম্বর, ২০২০।
