জনবল সংকটে মতলব উত্তর শিক্ষা অফিস

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উত্তর উপজেলা শিক্ষা অফিসে জনবল সংকটে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ উপজেলায় ১৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এজন্য একজন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, তিন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ও একজন হিসাব সহকারী কর্মরত আছেন।
দু’জন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও অফিস সহায়ক একটি পদ শূন্য রয়েছে। এতে বিদ্যালয় পরিদর্শনসহ অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে কর্মরত কর্মচারীরা হিমসিম খাচ্ছেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষক ৪৩জন ও সহকারী শিক্ষক ৩৪টি পদ শূন্য রয়েছে।
উচ্চমান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক ও অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক না থাকায় বাইরে থেকে কার্যক্রম করতে শিক্ষকরা নানা বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজ মিয়া বলেন, জনবল সংকটের কারণে তাকে স্কুল পরিদর্শন বাদ রেখে শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা হয়ে কেরানির কাজ করতে হচ্ছে। নির্ধারিত কর্মচারীর টানা অনুপস্থিতির কারণে অফিস সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানকল্পে তাকে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে শিক্ষা ক্ষেত্রে।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের ১৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষক রয়েছে ১৩৭টি বিদ্যালয়ে ৪৩টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। ৯৭০ জন সহকারী শিক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে এর মধ্যে ৩৪টি পদে কোনো শিক্ষক নেই।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষক আবদুল বাতেন, আবুল খায়ের, আবুল কালাম, সামছুন্নাহার’সহ অনেকেই জানান, শিক্ষা অফিসে জনবল না থাকায় আমরা খুবই অসহায়। অফিসে এসে আমাদের কাজ করতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয় এবং যথাসময়ে কাজ বাস্তবায়ন করতে সম্ভব হয় না।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন ভূঁঞা জানান, জনবল সংকটের কারণে আমার অফিসে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে করতে হিমসিম খাচ্ছি। এ ব্যাপারে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর শূন্য পদ পূরণের জন্য একাধিকবার আবেদন করেও কোনো সুফল না পাওয়ায় অফিসের কাজে বিঘ্ন ঘটছে।
১৯ আগস্ট, ২০২১।