জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন যারা

স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়েছে চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচন। প্রথমবারের মতো ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে চাঁদপুর জেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা পরিষদের ৮টি ওয়ার্ডের ৮টি কেন্দ্রে ১৬টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়। বিকেলের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। এসময় ৮টি ওয়ার্ডেও সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্যদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ড (চাঁদপুর সদর উপজেলা) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক (হাতি) প্রতিকে পেয়েছেন ৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবুল বারাকাত লিজন পাটওয়ারী (ঘুড়ি) প্রতিকে পেয়েছেন ৭০ ভোট, মো. মাহবুবুর রহমান (উট পাখি) প্রতিকে ১৯ ভোট, জাকির হোসেন হিরু (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতিকে ১৪ ভোট, মো. শাহ আলম খান (তালা) প্রতিকে ১২ ভোট, মো. মুকবুল হোসেন মিজি (টিউবওয়েল) প্রতিক ২ ভোট ও মো. ইকবাল হোসেন পলাশ পাটওয়ারী (অটোরিক্সা) পেয়েছেন শূন্য ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ২নং ওয়ার্ড (হাইমচর উপজেলা) খোরশেদ আলম (তালা) প্রতিকে পেয়েছেন ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এসএম কবির (টিউবওয়েল) প্রতিকে পেয়েছেন ৩৮ ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ৩নং ওয়ার্ড (ফরিদগঞ্জ উপজেলা) আলী আক্কাছ (টিউবওয়েল) প্রতিকে ১শ’ ১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রাথী জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মশিউর রহমান মিঠু (তালা) পেয়েছেন ৬৫ ভোট , শাহাবুদ্দীন সাবু (হাতি) পেয়েছেন ৩১ ভোট ও মিজানুর রহমান সজিব (ঘুড়ি) পেয়েছে ২ ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ৪নং ওয়ার্ড (মতলব দক্ষিণ উপজেলা) সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. আল-আমিন ফরাজী (হাতি) প্রতিকে পেয়েছেন ৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (টিউবওয়েল) প্রতিকে পেয়েছেন ৩৪ ভোট, মো. রিয়াদুল আলম (তালা) প্রতিকে পেয়েছেন ১৩ ভোট, ফরহাদ হোসেন (অটোরিকশা) প্রতিকে পেয়েছেন ১ ভোট ও বাদল ফরাজী (উটপাখি) প্রতিকে পেয়েছেন শূন্য ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ৫নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর উপজেলা) মো. আলাউদ্দিন সরকার (তালা) প্রতিকে পেয়েছেন ৭১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতিকে পেয়েছেন ৬৫ ভোট, মিনহাজ উদ্দিন খান (হাতি) প্রতিকে পেয়েছেন ২৫ ভোট ও আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসা (টিউবওয়েল) প্রতিকে পেয়েছেন ২০ ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ৬নং ওয়ার্ড (কচুয়া উপজেলা) তৌহিদুল ইসলাম (টিউবওয়েল) প্রতীক পেয়েছেন ৭৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মো. জোবায়ের হোসেন (হাতি) প্রতীক পেয়েছেন ৫২ ভোট, মো. সালাউদ্দিন (অটোরিক্সা) প্রতিকে পেয়েছেন ৩৭ ভোট, আহসান হাবিব প্রাঞ্জল (তালা) প্রতিকে পেয়েছেন ৪ ভোট, বিল্লাল হোসেন (বৈদ্যুতিক পাখা), শামসুল হক (উটপাখি) প্রতিকে কোন ভোট পাননি।
সাধারণ সদস্য পদে ৭নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ উপজেলা) মো. বিল্লাল হোসেন (টিউবওয়েল) ৮৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন (তালা) প্রতীকে পান ৭৭ ভোট ও আ. রব মিয়া (হাতি) মার্কায় পান ১১ ভোট।
সাধারণ সদস্য পদে ৮নং ওয়ার্ড (শাহরাস্তি উপজেলা) মো. জাকির হোসেন (ক্রিকেট ব্যাট) প্রতিকে পেয়েছেন ৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মাহবুব আলম (বৈদ্যুতিক পাখা) প্রতিকে পেয়েন ৫০ ভোট, মো. বিল্লাল হোসেন (অটোরিক্সা) প্রতিকে পেয়েছেন ৩৭ ভোট, মো. ইব্রাহিম খলিল পন্ডিত (তালা) প্রতিকে পেয়েছেন ১ ভোট ও মো. মনির হোসেন (টিউবওয়েল) প্রতিকে কোন ভোট পাননি।
এছাড়া সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ১নং ওয়ার্ড (সদর, ফরিদগঞ্জ, হাইমচর) আয়শা রহমান (দোয়াত কলম) প্রতীকে ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী জোবেদা মজুমদার খুশি (ফুটবল) মার্কায় পেয়েছেন ২২৭ ভোট।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ২নং ওয়ার্ড (মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিন, কচুয়া) তাছলিমা আক্তার (ফুটবল) প্রতীকে ২০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী নাজমা আক্তার আখি (দোয়াত কলম) মার্কায় পেয়েছেন ১২৭ ভোট।
সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩নং ওয়ার্ড (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) জান্নাতুল ফেরদৌসী (ফুটবল) মার্কায় ১৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছকিনা বেগম (মাইক) প্রতীকে ৯১ ভোট, মুক্তা আক্তার (দোয়াত কলম) প্রতীকে পান ৪৮ ভোট, রুবি আক্তার (বই) প্রতীকে পান ১৫ ভোট, শিউলি আক্তার (হরিণ) মার্কায় পান ১৩ ভোট।

১৮ অক্টোবর, ২০২২।