ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও কার্ডিও কেয়ার হাসপাতালের কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আত্মপ্রকাশের এক মাসের মধ্যেই চিকিৎসা অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পাবলিক হেলথ বিভাগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইউনিট ও কার্ডিওকেয়ার জেনারেল ও স্পেশালাইজড হাসপাতালের একদল গবেষকবৃন্দ কর্তৃক উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ সনাক্তকরণের নতুন পদ্ধতি। এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর পদ্ধতি যার মাধ্যমে রোগীর বুকের এক্স-রে এবং ফুসফুসের সিটি স্ক্যানের ছবি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ‘কোভিড-১৯’ সনাক্ত করা যায়।
উদ্ভাবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা জানান, এই এক মাসে ৩৭০ জন ব্যবহারকারী এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এরমধ্যে ৩৪০ জন বাংলাদেশি এবং ৩০ জন বিদেশি। এছাড়া ২৮টি হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এই নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এরমধ্যে ২২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এবং ৬টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
গবেষকরা জানান, কোভিড-১৯ সনাক্ত করার জন্য একটি ওয়েবসাইটে (https://helpus.ai/) রোগীর বুকের এক্স-রে ফিল্ম আপলোড করতে হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি সেই এক্স-রে ফিল্ম বিশ্লেষণ করে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ফলাফল প্রদান করে। ফলাফলের সফলতা ৯৬ ভাগ সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে। এ পর্যন্ত ব্যবহারকারীরা ১৬৫৯টি এক্স-রে ফিল্ম আপলোড করেছেন বলে জানান গবেষকরা। এর মধ্যে ১০৮২টি এক্স-রে ফিল্ম আপলোড করা হয়েছে ব্যক্তিগতভাবে এবং ৫৭৭টি করা হয়েছে হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। এর মধ্যে ১২০টির ফলাফল কোভিড-১৯ পজিটিভ এসেছে এবং ১১২টির ফলাফলে নিউমোনিয়া সনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বাকি ৮৬% ফলাফল ‘নরমাল’ এসেছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ মার্চ অনলাইনের মাধ্যমে এই কোভিড-১৯ সনাক্তকরণ পদ্ধতিটির উদ্বোধন করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। পদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অ্যালাইড হেলথ সায়েন্স অনুষদের সহযোগী ডিন অধ্যাপক ডা. আবু নাসের জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে একদল গবেষকবৃন্দ।

০১ মে, ২০২০।