হাজীগঞ্জ ব্যুরো
দাদা মৃত খলিলুর রহমান ছিলেন একজন আদর্শ স্কুল শিক্ষক। শুধু নিজ গ্রামে নয়, ওই ইউনিয়নে সবার প্রিয় ছিলেন তিনি। এক নামে সবাই তাঁকে ডাকতো খলিল মাস্টার। আজও তাঁকে মানুষ স্মরণ করে।
দাদার সেই আদর্শ ও সম্মান ধরে রাখতে চায় তাঁর নাতিন সাবিকুন্নাহার নাহার নাশিত। সে চলতি বছরে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে।
নাশিত দৈনিক যুগান্তরের হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি ও উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের খালেকুজ্জামান শামীম এবং শাহিনা আহম্মেন হাছনু দম্পতির বড় মেয়ে।
নাশিত পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আয়োজনে কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক স্কুলভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‘বর্ণীল কৈশোর’ এ সেরা দশের একজন গর্বিত প্রতিযোগী।
সে পিইসিতে জিপি-৫ ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছিলো। তাছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় সে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পায়। উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে যেন মরহুম দাদা ও বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে পারে সেজন্য দোয়া চেয়েছেন নাশিত।
১১ জুন, ২০২০।
