স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার খাত আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রতিনিয়তই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসারের সার্বিক তত্ত্ববধায়নে নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাজ চলছে। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার গৃহহীনদের জমিসহ ঘর হস্তান্তরের জন্য নিরলসভাবে তারা কাজ করছেন।
সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক জমি ও গৃহ প্রদানের লক্ষ্যে মৈশাদীতে জমি অধিগ্রহণ করে বর্তমানে আশ্রয়ণ প্রকল্প দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে। চাঁদপুর সদর উপজেলায় ভূমিহীনদের জন্য বরাদ্দকৃত ঘর নির্মাণ প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। স্বপ্নের বাড়ির অপেক্ষায় ৪৪টি পরিবার।
সদর উপজেলার ৪৪টি ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল, অসহায়, দরিদ্র পরিবারের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা বাড়ি। দুই শতক জায়গার ওপর দু’কক্ষবিশিষ্ট শয়ন কক্ষ, টয়লেট, রান্নাঘর একটি খোলা বারান্দা। ‘মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশে একজন গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় উপহার পাওয়া বাড়ির সুবিধাভোগীদের আবেগঘন কথামালায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপকারভোগীরা বলেন, আমাদের নিজের জমি ও ঘরবাড়ি নাই। মানুষের জমিতে কোনরকম আশ্রয় নিয়ে খরকুটো দিয়ে পাখির মত বাসা বেধে বসবাস করেছিলাম। জীবনে কখনো ভাবিনি পাকা ঘরে থাকবো। আমরা জীবনে যা কল্পনাও করিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের জন্য তা করেছে। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর জন্য দোয়া করি।
আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিচালনাকারী ও মৈশাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার রিয়াজ উদ্দিন রাজু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প সরাসরি সদর ইউএনও ও পিআইও ডিলিং করে, আমি তাদের পক্ষ থেতে দেখাশুনা করছি। এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসহায় গৃহহীন মানুষের কথা চিন্তা করে তাদের পুর্নবাসনের জন্য যে ঘর বরাদ্দ দিয়েছেন সেই কাজগুলো যেন সঠিক নিয়মে এবং সঠিক সময়ে হয় সেজন্য আমার দায়িত্ব অনুযায়ী নিয়মিত প্রতিদিন মনিটরিং করছি।
২১ এপ্রিল, ২০২৩।
