ফরিদগঞ্জের মনতলায় সাংবাদিক জয়ের বাবার দাফন সম্পন্ন

হাজীগঞ্জ ব্যুরো
দৈনিক চাঁদপুর প্রবাহ ও সময়ের আলোর হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম জয়ের বাবা মরহুম সুলতান মাহমুদের (৬০) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৭ মার্চ) দুপুরে ফরিদগঞ্জের মনতলা হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মরহুম সুলতান মাহমুদের জানাযা পড়ান মনতলা বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. গোলাম মোস্তফা। জানাযায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার প্রতিনিধি, স্থানীয় ও এলাকাবাসীসহ কয়েক শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসুল্লি উপস্থিত ছিলেন।
সুলতান মাহমুদ গত শনিবার দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ৩ মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাযার আগে প্রাক্তন শিক্ষক সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় মরহুমের স্মৃতিচারণ করেন উপস্থিত মুসল্লিরা।
বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর পূর্ব ইউপির চেয়ারম্যান মাও. শারাফত উল্ল্যা, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হক মিয়াজী, সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহিউদ্দিন আল আজাদ, সুবিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম পাটোওয়ারী, ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন পাটোওয়ারী, মরহুমের ভাই সাবেক ইউপি সদস্য হাফেজ আহম্মদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি হার্ট-এ্যাটাকে আক্রান্ত হন সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম জয়ের বাবা সুলতান মাহমুদ। এরপর তাকে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
তারপর অসুস্থ সুলতান মাহমুদের অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেপার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ব্রেনস্ট্রোক করেন। পরে শনিবার দিবাগত রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাব, উপজেলা সাংবাদিক কল্যাণ সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন শোক প্রকাশ করেন।
০৮ মার্চ, ২০২১।