ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
সরকার সারাদেশে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বসতঘর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী অস্বচ্ছল পরিবারদের ঘর প্রদানের জন্য উপজেলা পর্যায়ে কাজ চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যেই বেশকিছু মুক্তিযোদ্ধার জন্য বীর নিবাসের কাজ চলমান রয়েছে। ফরিদগঞ্জের আছৎকুয়ারী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন জীবিত থাকাকালে একটি ঘরের জন্য আবেদন করলেও ঘরের বরাদ্দ পাননি। এরমধ্যেই আবুল হোসেন ইন্তেকাল করেছেন। মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রোকেয়া বেগম স্বামীর ঘরের স্বপ্নের বাস্তব রূপ দেখে যেতে চান।
জানা গেছে, উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের আছৎকুয়ারী গ্রামের মিজি বাড়ির মৃত আবদুর রহমানের ছেলে মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বিগত ২০১৭ সালে মারা যান। মৃত্যুর আগে তিনি সংসারের তাগিদে বসতঘরের জমি ছাড়া সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন। মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী রোকেয়া বেগম স্বামীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেলেও দিনমজুর ৩ সন্তানকে নিয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন।
রোকেয়া বেগম জানান, তার ভিটে-জমি থাকলেও বসবাসের জন্য ভালো কোন ঘর করতে পারছেন না। ৫ ছেলের মধ্যে ২ ছেলে চাকরি করার বদৌলতে নিজেরা থাকছেন, কিন্তু তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন না। বাকি ৩ ছেলের অবস্থা তথৈবচ। তার স্বামী জীবিত থাকাকালে বীর নিবাসের জন্য আবেদন করে ঘর না পেলেও চলতি বছর পুনরায় আবেদন করেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী জীবদশায় চেয়েছিলেন সরকার থেকে ঘর পেয়ে নিজে স্ত্রী সন্তান নিয়ে আশ্রয় পাবেন। কিন্তু অদ্যবধি তা পূরণ হলো না। আমার স্বামীর শেষ ইচ্ছাটুকু পূরণের জন্য সরকারের কাছে অকুল আবেদন জানাচ্ছি। যাতে করে আমাদের একটি ঘর প্রদান করেন।
৩১ জানুয়ারি, ২০২২।
