জনবল সংকট
ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসা ও জনবল সংকটে দীর্ঘদিন যাবৎ চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ডাক্তার সংকটে দায়িত্বরত ডাক্তাররা রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। হাসপাতালটি ৫০ শয্যার হলেও জনবল রয়েছে ৩১ শয্যার সমান। এরপরও প্রতিদিন গড়ে ৭৫ থেকে ৮০ জন রোগী ভর্তি থাকে। এদিকে বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে থেকে চারশ’ থেকে পাঁচশ’ রোগী সেবা নিতে আসেন। তাই বিপুলসংখ্যক রোগী সামাল দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অপরদিকে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ৩/৪ জন ডাক্তার পোস্টিং রয়েছে, তাদেরও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই ডিউটি করতে হচ্ছে। ফলে উপস্বাস্থ্য ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসক ও জনবলের শূন্য পদ সংখ্যা ৮৯টি। শূন্য পদগুলো হচ্ছে- জুনিয়র কনসালটেন্ট ১ জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ১, মেডিকেল অফিসার ৩, সহকারী সার্জন ৩, সিনিয়র স্টাফ নার্স ১, মিডওয়াইফারী ২, মিডওয়াইফারী ৪, পরিসংখ্যানবিদ ১, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ১, সহকারী সেবক ১, স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ১, স্যাকমো ২, স্যাকমো (ইউএইচ ও এফ ডব্লিউসি) ৭, ফার্মাসিস্ট ৪, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিও) ১, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ৩, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ৮, স্বাস্থ্য সহকারী ৩৭, সিএইচসিপি ৫, অফিস সহায়ক ২ ও পরিচছন্ন কর্মী ১জন।
এছাড়া এটাস্টম্যান্ট এ ১জন গাইনী কনসালটেন্ট, ফাউন্ডেশন ট্রেনিংএ ১ জন মেডিক্যাল অফিসার ও গর্ভকালীন অসুস্থতাজনিত ছুটিতে ২জন ডাক্তারের অনুপস্থিতিও সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (জুয়েল) জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসক ও জনবল সংকটের বিষয়ে জানানো হয়েছে। তিনি আরো জানান, চিকিৎসক ও জনবল সংকটে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবায় কিছুটা অসুবিধা হলেও আশা করছি অচিরেই এ সমস্যা নিরসন হবে।
৩০ জুন, ২০২৪।
