বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেই ছেঙ্গারচর ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার চালু

৫ কোটি ৮৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর পৌরসভায় ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত হতে যাচ্ছে। ঘণ্টায় ২৫০ হাজার লিটার পানি উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ছেঙ্গারচর ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার। এখন উৎপাদিত পানির গুণগত মান পরীক্ষার পর এ মাসের মধ্যেই চালু করা সম্ভব হবে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলে।
মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর পৌরসভায় ৫ কোটি ৮৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মান হচ্ছে ‘ছেঙ্গারচর ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার’। বিদ্যুৎ সংযোগ না হওয়ায় এখনও চালু করা যাচ্ছে না বলে জানান কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় কাজ শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেই চালু করা যাবে এ ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগারটি। ছেঙ্গারচর পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও প্রথম শ্রেণির পৌর নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৪০ পৌরসভা পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় ৪৫০ ঘনমিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ জলাধার নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ হাজার লিটার পানি পৌরসভার গ্রাহকদের মাঝে ১৫ কিলোমিটার পাইপ লাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা যাবে। জেই এণ্ড এসটি (জেবি) মেসার্স শামীম ট্রেডার্স এ কাজটির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
জেই এণ্ড এসটি (জেবি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, ছেঙ্গারচর ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগার প্রকল্পের কাজ শেষ পর্যায়ে। বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য সকল কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে। এখন চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেই এ মাসের মধ্যে শোধনাগারটি চালু করা সম্ভব হবে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মতলব উত্তর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী সজিব চন্দ্র দাস বলেন, ছেঙ্গারচর ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগারটির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিদ্যুৎ সংযোগ হলেই আমরা মধ্যেই চালু করতে পারবো। পৌরবাসী সুপেয় পানি সরবরাহ করতে সক্ষম হবো। ইতোমধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্য সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

১০ মে, ২০২১।