আদালতের নির্দেশে
মাহ্ফুজ মল্লিক
আদালতের নির্দেশে মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন স্থগিত করা হয়। চাঁদপুরের যুগ্ম জেলা জজ আদালত সোমবার এই নির্বাচন স্থগিত করেন। গতকাল বুধবার রায়ের কপি বিদ্যালয়ে এসে পৌঁছে।
মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে তিনজনকে বিবাদী করে গত রোববার আদালতে মামলা করেন মো. কুদ্দুস সরকার নামে এক প্রার্থী।
জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য গত ৫ মে তফসিল ঘোষণা করা হয়। অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে চারটি পদের জন্য সাত শিক্ষার্থীর অভিভাবক গত ৭ মে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ৮ মে এসব মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে উপজেলার বাইশপুর গ্রামের মো. কুদ্দুস সরকারের প্রার্থিতা বাতিল করেন নির্বাচনটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম খান। প্রার্থিতা বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং নির্বাচনটির স্থগিতাদেশ চেয়ে গত রোববার চাঁদপুরের যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেন মো. কুদ্দুস সরকার। এতে বিবাদী করা হয় ইউএনও, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে। গত সোমবার চাঁদপুরের যুগ্ম জেলা জজ আদালতের হাকিম মিজানুর রহমান মামলাটির রায় দেন। এতে কাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় ওই বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।
একই সঙ্গে ওই মামলার বাদীর প্রার্থিতা কেন বৈধ করা হবে না মর্মে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শাও নোটিশও দেয়া হয়। নোটিশপ্রাপ্তির এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়।
নির্বাচনটির প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম খান বলেন, আজ আদালতের স্থগিতাদেশের কপি পাওয়ার পর আপাতত নির্বাচন হচ্ছে না।
অভিভাবকের প্রার্থিতা বাতিলের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন আদালত রায় দিয়েছে। আদালতের রায়কে সম্মান করতে হবে। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
কুদ্দুস সরকার জানান, অবৈধভাবে নির্বাচনের ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। তার প্রার্থিতাও বাতিল করা হয়। এ জন্য আদালতে মামলা করেন।
মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, ভোটার তালিকায় মো. কুদ্দুস সরকারকে তালিকাভুক্ত করা হয়। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়।
