
চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে
মনিরুল ইসলাম মনির
সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের হানায় যখন সারা বিশ^ মৃত্যকূপে পরিণত, তখন বাংলাদেশে তার ভয়াবহতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রোধে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল সকল অফিস আদালত দোকান পাঠ বন্ধসহ জনগনকে ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়ায়, খেটে খাওয়া দিন মজুরদের অবস্থা নাজুক দেখা দিয়েছে। তাই তাদের খাদ্য সংকট নিরসনে চাল, ডাল, লবনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্তা করেছে মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসন।
গত শুক্রবার সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে উপজেলার দুর্গাপুর ও গজরা ইউনিয়নে সাদা রঙের বৃত্তের মধ্যে দাঁড় করিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএম জহিরুল হায়াত।
খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে, প্রত্যেক পরিবারের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি চিড়া, দুই লিটার সোয়াবিন তেল, এক কেজি লবন, দুই কেজি ডাল, এক কেজি চিনি, দুই কেজি চিড়া, এক প্যাকেট নুডুলস।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব, দূর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. আবুল খায়ের, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প পানি ব্যবহারকারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. আবুল খায়ের, সিএ আমিনুল ইসলাম, দুর্গাপুর ইউপি সচিব মো. মানিক মিয়া, গজরা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান এমএ ছাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএম জহিরুল হায়াত বলেন, ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এতে করে খেটে খাওয়া মানুষ বেকার হয়ে গেছে। এজন্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করে তাদের মধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হাঁট বাজার বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হয় ক্ষুদ্র ও ছিন্নমূল মানুষরা। তাদের আয় রোজগারে পুরো পরিবার চলে। তিনি উপজেলার দুই ইউনিয়নের ৯০জন হতদরিদ্রের মাঝে এই সামগ্রী বিতরণ করেন। পর্যাযক্রমে উপজেলাধীন প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।
