এস এম সোহেল
বাড়ছে যানবাহন, বাড়ছে জনগণ। তবে যানজট নিরসনে ছিল না কোন পদক্ষেপ। যানজট নিরসনে ও ভোগান্তি থেকে চাঁদপুর পৌরবাসীকে রক্ষা করতে উদ্যোগ নিয়েছেন পৌর মেয়র অ্যাড. মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল। তিনি চাঁদপুর শহরের যানজট নিরসন ও সড়ক প্রশস্তকরণের পদক্ষেপ নেয়ায় প্রসংশায় ভাসছেন তিনি। ইতোমধ্যে যানজট নিরসন ও সড়ক প্রশস্তকরণে কাজ শুরু করে দিয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা। চাঁদপুর সরকারি কলেজের সামনের রাস্তাটি প্রশস্ত হলে যানজট নিরসন ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি অনেকটা কমে আসবে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।
চাঁদপুর সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান, যোবায়ের হোসেন জানান, কলেজের সামনে প্রায়ই যানজট লেগেই থাকে। অনেক সময় দীর্ঘ লাইনও থাকে। পরীক্ষার্থীদের সময়মতো পরীক্ষার হলে আসতে দেরি হয়। রাস্তাটি প্রশস্ত হলে অবশ্যই জনসাধারণের পাসাপাশি শিক্ষার্থীদেরও উপকার হবে।
ইজিবাইক চালক জহির শেখ ও আব্বাস উদ্দিন জানান, চিত্রলেখার মোড় থেকে বাসস্ট্যান্ড যেতে আমাদের অনেক সময় লাগে। আর যেদিন কলেজের পরীক্ষা থাকে সেদিন এই রাস্তায় বেশি যানজট থাকে।
প্রফেসর পাড়ার বাসিন্দা ব্যাংকার নজরুল ইসলাম জানায়, প্রফেসরপাড়া, নাজিরপাড়াসহ কলেজের সামনে মোট ৪টি মোড় রয়েছে। একদিক থেকে অন্যদিকে যাওয়া আসা অনেক কষ্টকর। রাস্তাটির প্রশস্ত হলে যান চলাচলে সুবিধা হবে। আমরা সহজেই গন্তব্যে পৌঁছতে পারবো। পৌর মেয়র এই উদ্যোগটি নেওয়ায় আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।
চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অসিত বরণ দাশ জানান, সড়ক প্রশস্তকরণ ছাড়া কোন আধুনিক নগর করা সম্ভব নয়। চাঁদপুর শহর একটি অপরিকল্পিত শহর। মনে হয় আগের কোন মেয়র ও চেয়ারম্যানরা তা করেননি। বর্তমান মেয়র পরিকল্পনা করে কাজ করছেন। শুধু মেয়রের নির্দেশনায় নয়, শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের মৌখিক নির্দেশ রয়েছে। আমরা যা যা কাজ করে থাকি, তা তাকে জানানো হয়। মন্ত্রী চেয়েছেন রাস্তাটি প্রশস্ত হোক। আর মন্ত্রণালয়েও চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, যানজটের কারণে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে দেরি হয়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থও জনস্বার্থের মধ্যে পড়ে। এখানে চাঁদপুরের প্রথম শহীদ মিনার রয়েছে। তাই কোথায়ও ৩ ফিট, কোথায়ও ৪ ফিট জায়গা ছাড়া হয়েছে। কলেজের সামনে ওয়াকওয়ে ও ড্রেন নেই, তা নির্মাণ হবে। আর বাকি জায়গাটায় রাস্তা হবে।
২৯ নভেম্বর, ২০২২।
