মাস্ক ছাড়া রাস্তায় বের হলেই জরিমানা
শাহ্ আলম খান
কঠোর লকডাউনের সঙ্গে হালকা বৃষ্টিতে সকাল থেকেই ঘরবন্দি মানুষ। তাছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এই কড়া বিধি-নিষেধের দ্বিতীয় দিনে চাঁদপুরের রাস্তাঘাট অনেকটাই ছিল ফাঁকা। বেশিরভাগ সড়কে রিকশা চলেছে।
তবে লকডাউন কার্যকর করতে সড়কে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর এসি ল্যান্ড, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও আনসারসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ছিলো তৎপর। জেলা সদরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে ও বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তারা তদারকি করেছেন। প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হয়ে অযথা রাস্তায় ঘোরাঘুরি ও মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ১০ জনকে অর্থদন্ড গুণতে হয়েছে।
শনিবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিক্তা খাতুন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি হওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মসজিদ স্যারের নির্দেশনায় সকাল থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। সদর উপজেলার বাবুরহাট এলাকার মতলব রোডে ও মহামায়া বাজার এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অযথা রাস্তায় ঘুরাঘুরি ও মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে ১০ জনের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সদর উপজেলার ওয়ারলেস বাজার, বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজের সামনে, মতলব রোড ও মহামায়া বাজারসহ বিভিন্ন রাস্তায় রিকশা ও দু’একটি সিএনজি চলতে দেখা গেছে। তারা জরুরি প্রয়োজনে এবং হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাচ্ছে। এসব রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান ছিল। পুলিশের গাড়িও টহল দিয়েছে। সকাল থেকেই সদর উপজেলার মোড়ে মোড়ে বসেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে পরিবহন দেখলেই গতিরোধ করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বের হওয়ার কারণ জানতে চাইছেন। সুনির্দিষ্ট কারণ ও প্রমাণ দিতে পারলেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
বাবুরহাটের মতলব রোড থেকে শুরু করে মহামায়া বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন অলিগলিতে চায়ের দোকান ও কিছু দোকান খুলতে দেখা গেছে। তবে শপিং মল ও মার্কেট ছিল বন্ধ। ছুটির দিন হওয়ায় রাস্তায় মানুষও অনেক কম দেখা গেছে।
২৪ জুলাই, ২০২১।
