মতলব উত্তর ব্যুরো
করোনা ভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় শুরু হওয়া লকডাউনে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। দেশজুড়ে আট দিনের কঠোর এই লকডাউন শুরু হয়েছে গত ১৪ এপ্রিল থেকে। জনগণকে লকডাউন মানাতে গতকাল রোববারও যথেষ্ট তৎপর ছিল অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহজাহান কামালের নেতৃত্বে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
জরুরি কাজে কেউ বের হলেও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। প্রতিটি যানবাহনে চলে তল্লাশি। কিছু কিছু অফিস খোলা থাকায় কড়াকড়ির মধ্যেও রাস্তায় মানুষের চলাচল ছিল। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল আর ব্যাটারিচালিত অটো রিকশার দখলে ছিল মতলব উত্তরের সড়কগুলো। এসব বাহনে ভাড়া নেওয়া হয় কয়েক গুণ। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত অফিস খোলা থাকলেও নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগে পড়েন অনেকেই। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন তারা। এদিকে কঠোর ফাঁকফোকর গলেও তুচ্ছ কারণ আবার নিছক কৌতূহল মেটাতেও অনেককেই দেখা গেছে ঘরের বাইরে। এদের কেউ কেউ বেরিয়ে পড়েন নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে।
ইউএনও গাজী শরিফুল হাসানের নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা হাবিব শাপলা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে অবৈধ গাড়ি নিয়ে চলাচল ও স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে ১১টি মামলায় ২১ হাজার ২শ’ ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, দেশকে করোনামুক্ত করতে লকডাউন মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সরকারের দেয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। কেউ নির্দেশনা না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ইউএনও গাজী শরিফুল হাসান বলেন, জনগণ এখনো সচেতন হচ্ছে না। আমরা সচেতন করার চেষ্টা করছি। করোনাকালীন সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের নির্দেশনায় লকডাউন চলছে। এটা বাস্তবায়নের জন্য আমরা মাঠে রয়েছি।
১৯ এপ্রিল, ২০২১।
