নোমান হোসেন আখন্দ
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি উপজেলার সীমান্তবর্তী টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজাপুরা নামক স্থান থেকে উদ্ধার করা লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। ড্রামে পাওয়া ব্যক্তির বাড়ি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের দরবেশ বাড়ি এলাকায়। সে ঐ গ্রামের মৃত আমির হোসেন ও লুৎফুন নাহারের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (৩৫)।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানায়, গত ৯ নভেম্বর নিহত সিদ্দিকুর রহমান তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। ঐ দিন সে বাড়ি না ফেরায় ১০ নভেম্বর সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় তার মা বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। তারা জানান, তার ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর দেড় মাস আগে সে ২য় বিয়ে করেন। তার একটি মেয়ে রয়েছে।
এদিকে শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ১১ নভেম্বর সন্ধা ৭টায় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের শাহরাস্তি রাজাপুরায় স্থানীয় জনতা রাস্তার পাশে একটি ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি থানায় জানান। শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহআলম ও পুলিশ পরিদশক (তদন্ত) আবদুল মান্নান ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি তেলবাহী ড্রামের লেপ তোশক প্যাচানে লাশ দেখতে পান। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে এ স্থানে ফেলে যায় দুষ্কৃতকারীরা। এদিকে নিহত সিদ্দিকুর রহমানের লাশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তার মা লুৎফুন নাহার, তার খালতো ভাইসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে তার লাশ সনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে শাহরাস্তি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং-০৭, তাং ১০/১১/২০২০ইং। এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, পিবিআই, সিআইডি, গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।
১২ নভেম্বর, ২০২০।
