এস এম সোহেল
চাঁদপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলের প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির প্রত্যাশা অনেক। শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুর শহর নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছেন তা বাস্তবায়নে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করবেন জুয়েল- এই প্রত্যাশা তাঁর। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন
হলে চাঁদপুর হয়ে উঠবে নান্দনিক ও পর্যটনের শহর। এছাড়া নবনির্বাচিত মেয়র অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলের প্রতি তাঁর আস্থাও অনেক বেশি। সেজন্য শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে পৌর মেয়র জুয়েলকে নিয়ে একসাথে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গত ২৪ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১১টায় সদর উপজেলা পরিষদের হল রুমে চাঁদপুর পৌরসভার নব-নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি ঐ অনুষ্ঠানে আরো বলেন, নবনির্বাচিত পৌর পরিষদ অবশ্যই এই শহরকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যাবে। কারণ নির্বাচনের আগে তিনি সাধারণ জনগণকে যে ইশতেহার দিয়েছেন, সে কাজগুলো আমার স্বপ্ন। তিনি এই কাজগুলো বাস্তবায়ন করলে আমার কাজের অংশগুলোও বাস্তবায়ন হবে। আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে। সেই স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে একসাথে কাজ করবো।
তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় যার কথা এখানে উল্লেখ করতে হবে, তিনি হলেন আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। যার নেতৃত্বাধীন মনোনয়ন বোর্ড আমাদের অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েলকে এ মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং সুযোগ করে দিয়েছেন আমাদের এক মেধাবী উজ্জল তরুণকে এ পৌরসভাকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে জেলা নির্বাচন কমিশন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
তিনি আরো বলেন, আজ এত আনন্দের মধ্যেও আমাদের মেয়র সাহেবের মনে একটু আমার মত দুঃখ-কষ্ট রয়েছে। তার কারণ আমাদের এত নেতা-কর্মী ও সমর্থক যাদের নিয়ে এ নির্বাচনের উৎসবটি করেছি। যাদের মাধ্যমে আমাদের ঐতিহাসিক বিজয় এসেছে। যাদের নিরলস পরিশ্রমে এ বিজয় এসেছে। আজ করোনার কারণে সীমিত পরিসরে শপথের আয়োজন করতে হয়েছে। সেই কষ্ট নিশ্চয়ই আমার মতো আমাদের মেয়র ও কাউন্সিলরদের মধ্যে আছে। আজ তাদের আমন্ত্রণ জানাতে না পারলেও এ করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে, আমরা সবাই মিলে আমাদের সেই মনের আক্ষেপটা মিটাবো, ইনশাআল্লাহ।
ডা. দীপু মনি আরো বলেন, ১২৫ বছর আগে এই অক্টোবর পৌরসভার পথচলা শুরু হয়েছিল। ১২৫ বছর পর সেই অক্টোবরে আমরা আমাদের ১২তম পৌরপ্রধানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এসেছি। উনি ১২তম পৌর প্রধানের হলেও মেয়র হিসেবে দ্বিতীয়। আমি আশা করি পৌরসভার যে ঐতিহ্য ও ইতিহাস রয়েছে তার ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাবে। আমরা সব সময় আরো ভালো চাই। আগামিদিনে নিশ্চয়ই এই পৌরপিতার নেতৃত্বে আরো ভালো কিছু দেখবো, ইনশাআল্লাহ।
জিল্লুর রহমান জুয়েলের নির্বাচনী ইশতেহার সম্পর্কে ডা. দীপু মনি বলেন, জিল্লুর রহমান জুয়েল মনে করেন তার নির্বাচনী ইশতেহার জনগণ বিশ্বাস করে ভোট দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। ইশতেহারটি তার জন্য অন্য ম্যান্ডেটে আইনে পরিণত হয়েছে। আমার জন্য তাহলে সুবিধা হলো কারণ এই স্বপ্নগুলো আমারও। এই স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পৌরসভার সুযোগ্য মেয়রকে আমার সঙ্গে পাবো। আমাদের অনেক অনেক স্বপ্ন আছে। স্বপ্নগুলো পূরণ করার জন্য আমরা একযোগে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ। এই ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। পৌরসভা ও পৌর এলাকার উন্নয়নে মেয়র ও কাউন্সিলরদের সাথে আমি সব সময় থাকবো।
জিল্লুর রহমান জুয়েলের বিষয়ে তিনি বলেন, অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল শুধু একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তানই নয়, তার পরিবারের ঐতিহ্য রয়েছে মুক্তিযুদ্ধে অবদানে এবং জনসেবার। আমি বিশ্বাস করি সে নিজে যেই গৌরব অর্জন এবং রাজনীতিক ঐতিহ্যে উত্তরাধিকার বহন করে। যেই ছাত্র রাজনীতির উজ্জ্বল ইতিহাস তার রয়েছে। তার ধারাবাহিকতা তারুণ্যদীপ্ত মেধাবী একজন স্বচ্ছ-পরিষ্কার সাদা মনের মানুষ এবং সর্বদা হাস্যজ্জ্বল মানুষ হিসেবে সব সময় পৌরবাসী পাশে থাকবে এবং সেবা করবে। জনপ্রতিনিধিত্ব মূল কথা হলো দেশের ও মানুষের সেবা করা। যা আমাদের রাজনীতির মূল কথা। কারন আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও শেখ হাসিনার কর্মী। জনগণের সেবা এবং দেশের সেবা এটি আমাদের কাজ। কোন পদ আমাদের জন্য দায়িত্ব, কর্তব্য এবং পবিত্র আমানত। জনগণের সেই পবিত্র আমানতকে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে পালন করতে বদ্ধপরিকর। আপনারা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন। আমি আজকে অঙ্গীকার করছি আপনাদের পাশে সব সময় থাকবো, ইনশাআল্লাহ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ মো. ইউসুফ গাজী, ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সাধারণ সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্যাহসহ পৌরসভার ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলররা।
এর আগে গত ৮ অক্টোবর ঐতিহ্য, বাণিজ্য ও পর্যটন নির্ভর নান্দনিক চাঁদপুর গড়ার প্রত্যয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী অ্যাড. জিল্লুর রহমান জুয়েল তাঁর নির্বাচনী কার্যালয়ে ইশতেহার পেশ করেন। ঐ ইশতেহারে ছিলোঃ
ঐতিহ্য সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক চাঁদপুর
পদ্মা, মেঘনার ও ডাকাতিয়া তিন নদীর মোহনায় এ শহরের গোড়াপত্তন হয় ১৭৭৮ সালে। পরবর্তীতে তৎকালীন ত্রিপুরা জেলায় অন্তর্গত চাঁদপুর মহকুমার প্রতিষ্ঠা হয় ১৮৭৮ সালে। ১লা জুলাই, ১৮৯৫ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের শাখার স্থাপন, ২২টি বিখ্যাত পাট-কোম্পানীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এ শহরকে তৎকালীন ভারতবর্ষের একটি অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে আসাম বেঙ্গল গেটওয়ে নামে পরিচিতি দেয়। এই শহরের বাণিজ্যিক গুরুত্বের কারণেই ১৮৯৬ সালের ১ অক্টোবর পৌরসভা হিসেবে চাঁদপুরের মর্যাদাপ্রাপ্তি। কালের বিবর্তনে চাঁদপুর তার বাণিজ্যিক গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছে। এ শহরের প্রাণ হচ্ছে বাণিজ্য। এ শহরকে আবারো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে হলে শেকড়ে প্রোথিত তার বাণিজ্যিক প্রাণটির পুনর্জাগরণ প্রয়োজন। নির্বাচিত হলে আমার পৌরসভায় প্রথম ও প্রধান কাজ হবে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে চাঁদপুর শহরের পুরাণ বাজার অংশ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। চাঁদপুর শহর রক্ষার স্থায়ী বাঁধ নিমার্ণে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে তা বাস্তবায়নে আমার পৌরসভা কাজ করবে। শহর রক্ষা বাঁধটিকে পরিবহন ও যাতায়াতের সুবিধার্থে রিভার ড্রাইভের আদলে গড়ে তোলা হবে।
বড়স্টেশনের ঐতিহ্যবাহী মাছ বাজার ও ঘাটটিকে সংরক্ষণ, প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা সংযোজন করে কমপ্লেক্স আকারে পুনঃর্নির্মাণ করে চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ রফতানি বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
নৌ-বন্দর হিসেবে চাঁদপুরের যাত্রা শুরু হাজার বছর আগে সুলতানী আমলে। পণ্য পরিবহনের জন্য সম্প্রতি সম্পাদিত ভারত ও বাংলাদেশ নৌ-চুক্তির আওতায় ব্যবহৃত বন্দরসমূহের একটি হচ্ছে চাঁদপুর। চাহিদা অনুযায়ী এ বন্দরটি আধুনিকভাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চূড়ান্ত।
চাঁদপুরের সম্ভাবনা-পর্যটন
পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের প্রিয় এ শহর। প্রধানমন্ত্রী যতবারই চাঁদপুরে এসেছেন ততবারই নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন। এ সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি মহোদয়ের ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে পৌরসভা সরকারের সেই পরিকল্পনার আদলে চাঁদপুরকে গড়ে তুলতে কাজ করবে।
* বড়স্টেশনের মোলহেড অংশটিকে আরো নান্দনিকভাবে গড়ে তোলা হবে।
* শহরের পুরাণবাজার ও নতুনবাজার প্রান্তের নির্মিতব্য স্থায়ী বাঁধের দীর্ঘ অংশ জুড়ে রিভার ড্রাইভের পাশাপাশি সবুজায়ন, দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য শৈলী ও বসার স্থান নিমার্ণ করা হবে।
* ডাকাতিয়া ও মেঘনা নদীতে ভাসমান রেস্তোরাঁ ও ওয়াটার বাস চালু করা হবে।
* পৌরসভার অর্থায়নে তারকাখচিত একটি আধুনিক আবাসিক হোটেল নির্মাণ করা হবে। যা দেশী-বিদেশী পর্যটকদের চাঁদপুরে অবস্থানকে নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করবে।
নান্দনিক চাঁদপুর
* শহরের ঐতিহ্যবাহী এসবি খাল, বিদ্যাবতী খালের প্রয়োজনীয় সংস্কার করে মূল নদীর সাথে সংযোগ করে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।
* চাঁদপুর শহরের লেকগুলোর দুই প্রান্ত বাঁধাই করে ফোয়ারা নির্মাণ করার মধ্য দিয়ে দৃষ্টিনন্দন করা হবে।
* বহুতল বিশিষ্ট একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এতে পাবলিক লাইব্রেরী, আর্কাইভ, মিনি অডিটোরিয়াম, জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের ও নারীদের জন্য পৃথক-পৃথক নির্ধারিত ফ্লোর থাকবে। যাতে বিনোদনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।
* পুরাণবাজার ও নতুনবাজার অংশে একাধিক মুক্তমঞ্চ গড়ে তোলা হবে।
* চাঁদপুর শহর বিলবোর্ড মুক্ত করা হবে।
* পৌরসভার অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে চাঁদপুর শহরকে সবুজায়ন করা হবে।
নাগরিক সুবিধা
* পৌরসভার কার্যক্রম প্রযুক্তি নির্ভর ও ডিজিটালাইজড করা হবে।
* পৌরসভার প্রতিটি এলাকা পর্যায়ক্রমে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।
* ড্রেনেজ সিস্টেমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সংস্কার করা হবে।
* পুরনো সড়ক যথাসম্ভব প্রশস্তকরণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।
* যানজট নিরসনে একাধিক বিকল্প সড়ক নিমার্ণ করা হবে।
* শহরের সব সড়কে এলইডি লাইট স্থাপনের মাধ্যমে আলোকিত চাঁদপুর গড়ে তোলা হবে।
* পৌরসভার সব নাগরিকদের জন্য বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
* পৌরসভায় একটি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। বর্জ্য সংগ্রহ ও ডাম্পিং পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হবে। শহরের সব ডাস্টবিন পর্যায়ক্রমে তুলে ফেলা হবে।
* মশক নিধনে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
* পৌরসভার অর্থায়নে শহরের পুরাণবাজার ও নতুনবাজার অংশে দু’টি আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নিমার্ণ করা হবে।
* পুরাণবাজার অংশে একটি নতুন গণকবরস্থান তৈরি করা হবে।
* চাঁদপুর পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ন্যূনতম একটি করে আধুনিক পাবলিক টয়লেট নিমার্ণ করা হবে। যাতে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক-পৃথক ব্যবস্থা থাকবে।
* মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে পৌরসভা জিরো টলারেন্সে থাকবে।
* পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ও অথার্য়নে একটি কার্যকরী মাদক নিরাময় কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।
* পালবাজার, নতুনবাজার, বিপণীবাগ বাজার, লোহারপুল মাছবাজার, বাকালীপট্টি মাছবাজার আধুনিকায়ন করা হবে।
* পরিকল্পিত চাঁদপুর নির্মাণে নকশা বহিভূর্ত কোন স্থাপনা নিমার্ণ হতে দেয়া হবে না।
* যানজট নিরসনে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হবে। অবৈধ যান চলাচল করতে দেয়া হবে না। আর নতুন কোন সিএনজি ও অটোরিক্সা লাইসেন্স প্রদান করা হবে না।
* নাগরিক সেবায় ২৪/৭ ভিত্তিতে হেল্পলাইন চালু করা হবে।
জিল্লুর রহমান জুয়েল এই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাঁদপুর পৌরসভার সব নাগরিক ও সাংবাদিকদের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি চাঁদপুর পৌরবাসীর ভালবাসা, স্নেহ ও বিশ্বাস তাঁর সামনে চলায় প্রেরণা যোগাবে বলে জানান।
২৮ অক্টোবর, ২০২০।
