স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর হরিণা ফেরিঘাটে কস্তুরী ফেরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ইঞ্জিন রুমের পাইপে কার্বন জমে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানা গেছে। পরে দু’টি ফেরি দিয়ে দমকল লাগিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (৮ মার্চ) সকাল ৭টায় চাঁদপুর সদর উপজেলার হরিণা ফেরি ঘাট এলাকায়।
আগুন লাগার খবর শুনে চাঁদপুরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু এর আগেই বিআইডব্লিউটিসি’র লোকজন আগুন নিভাতে সক্ষম হয়।
ফেরির মাস্টার জানান, ইঞ্জিন রুমের জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত। খুব অল্প সময়ে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। অগ্নিকাণ্ডের সময় ফেরির ভিতরে অনেকগুলো মালবাহী ট্রাক ছিলো।
আগুন লাগার সাথে সাথেই গাড়িগুলো তড়িঘড়ি করে উপরে উঠানো হয়। তবে অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি ও ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে কস্তুরী ফেরি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পরলে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে এসে ভিড় জমায়।
এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি’র হরিণা ঘাট ম্যানেজার আব্দুর নূর তুষার জানান, তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিআইডব্লিউটিসি’র স্টাফরাই পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
উল্লেখ্য, চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটে চলাচলকারী ফেরিগুলো অধিকাংশই জরাজীর্ণ। দেশের বিভিন্ন স্থানে চলাচল করে প্রায় অকেজো হয়ে পড়লেই সেই ফেরিগুলো চাঁদপুর-শরীয়তপুর রুটে নিয়ে আসা হয়। ফলে মানুষসহ যানবাহনগুলো সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল করে। এই রুটের জন্য নতুন ফেরির প্রস্তাবনা হলেও প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপির অদৃশ্য ছোঁয়ায় সেগুলো চলে যায় অন্যত্র। এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি’র কর্মকর্তাদের কঠোর পদক্ষেপ নেয়া অন্যন্ত জরুরি।
০৯ মার্চ, ২০২২।
