হাইমচরে ৩ বন্ধুর ধর্ষণে কিশোরী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা

সাহেদ হোসেন দিপু
হাইমচরে ৩ বন্ধুর ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৬ বছর বয়সী কিশোরী। ৬ মাসের সন্তান পেটে নিয়ে ঘুরছে মুরব্বীদের কাছে। কোন সুরাহা না হওয়ায় অভিযোগ দিয়েছে হাইমচর থানায়। ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি বাদশা গাইনকে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) রাত ৯টায় আটক করেছে হাইমচর থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে চরভৈরবী ইউনিয়নের নতুন বাজার সংলগ্ন এলাকায়।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ৬ মাস পূর্বে একই এলাকার মৃত নকিব গাইনের ছেলে বাদশা গাইন কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। বাদশা গাইন তার আরও দুই বন্ধু সজিব, রবিনকে দিয়েও মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্ষণ করায়। মেয়েটি ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় স্থানীয় মুরব্বিদের জানালে তারা এর সমাধান করতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত গড়ায়। কোন সুরাহা না হওয়ায় মেয়েটি ৩ জনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ধর্ষণের মূল হোতা বাদশা গাইনকে আটক করেছে হাইমচর থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল জানান, কিশোরী মেয়েকে নিয়ে এলাকার লোকজন আমার পরিষদে নিয়ে আসলে আমাকে মেয়েটি জানায় সে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তখন মেয়েটি কার সাথে সহবাস করেছে জানতে চাইলে সে ৩ জনের নাম বলেন। মেয়েটি সত্যিকারের অন্তঃসত্ত্বা কিনা তা ডাক্তার দেখিয়ে টেস্ট করার জন্য পরামর্শ দেই। পরবর্তীতে আজ শুনলাম থানায় মামলা করেছে। পুলিশ একজনকে আটক করেছে। আমি বাকি দুই আসামিকে আটক করার জন্য পুলিশকে সহযোগিতা করছি। আমি এ ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠ সমাধান চাই। অপরাধীদের শাস্তি হোক জাতে করে সমাজে এধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা পুনরায় না ঘটে।
হাইমচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, ৩ জন মিলে কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় আমরা একটি অভিযোগ গ্রহণ করেছি। জাতীয় পরিচয় পত্রের কারণে মামলা নেয়া হয়নি। আগামিকাল মামলা রুজু করা হবে। আমরা অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে আটক করেছি, আজ রাতেই বাকিদেরও আটক করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

১৩ মার্চ, ২০২৪।