হাজীগঞ্জ ব্যুরো
হাজীগঞ্জে নামীয় ও অজ্ঞাত অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার হাটিলা পশ্চিম ইউপির
চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু। এছাড়া তিনি নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়রি ও চিহ্নিত অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের লক্ষ্যে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান। অভিযোগে ৬ জনকে নামীয়সহ আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত বিবাদী করা হয়।
অভিযোগে নামীয় বিবাদীরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ধড্ডা গ্রামের আনোয়ার হোসেন চেয়ারম্যান বাড়ির জুনাব আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩০), একই গ্রামের আব্বাস মোল্লা বাড়ির আব্দুল মতিনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৮), মজিবুর রহমানের ছেলে কাউছার (২৮), আব্দুল কাদেরের ছেলে মনির হোসেন (৩২), মজিবুর রহমানের মেয়ে সুমি আক্তার (২৫) ও মৃত হাতেম আলীর মেয়ে কুলছুমা বেগম।
গত শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ (নং-২৯৬) সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটুর সম্মান ক্ষুণ্ন করার পাঁয়তারা করছে। ওই স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ প্রণোদিত হয়ে মুজিববর্ষের গৃহহীনদের ঘর নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার করেন।
এছাড়া একই বিষয়ে সংবাদকর্মীদের ভুল, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। এতে ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটুর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন।
এদিকে গত সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের উল্লেখিত বিবাদীদের মধ্যে ৪ জনসহ মোট ৫জন এই বিষয়ে কোন কিছু জানেন না বলে মৌখিকভাবে ইউএনও বৈশাখী বড়ুয়াকে জানিয়েছেন বলে বিষয়টি সংবাদকর্মীদের জানান ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু।
এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটুর উপস্থিতিতে কে বা কারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তাদের নাম ওই সময় সংবাদকর্মীদের দিয়েছেন, তাও জানেন না বলে অপর কয়েকজন সংবাদকর্মীদের তারা জানান। তারা হলেন, জাহাঙ্গীর আলম ও অভিযোগের বিবাদী ফাতেমা বেগম, কাউছার, মনির হোসেন ও সুমি আক্তার (জোৎস্না)।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার করছে। আমি ইতোমধ্যে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। সম্প্রতি আরো কয়েকজন অপ-প্রচারকারীর নাম জানতে পেরেছি।
তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই আমার নিরাপত্তার জন্য থানায় জিডি ও চিহ্নিত অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করবো।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১।
