হাজীগঞ্জে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণে চাচা গ্রেফতার

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে কিশোরী ভাতিজি (১৪) কে ধর্ষণের অভিযোগে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে এক চাচাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয়রা। রোববার (১ আগস্ট) দুপুরে আটক চাচা আব্দুর রশিদকে (৩৫) আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ এবং চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নির্যাতিত কিশোরীর মেডিক্যাল সম্পন্ন করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ।
এর আগে শনিবার রাতে উপজেলার বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের মোল্লাডহর গ্রাম থেকে আব্দুর রশিদকে আটক করে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন। সে ওই গ্রামের নোয়া বাড়ীর আব্দুস সোবাহানের ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
ধর্ষিতার মা জানান, আমাদের নতুন বাড়ির চারদিকে বর্ষার পানি। শনিবার দুপুরের মেয়েকে ঘরে রেখে নৌকা যোগে গ্রামের দোকানে মালামাল কিনতে (ক্রয়) যাই। এই সুযোগে আমার মেয়েকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে দেবর রশিদ। এরপর আমি ঘরে ফিরে মেয়ের দিকে তাকালে, সে আমাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠে এবং নির্যাতনের বিষয়টি খুলে বলে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইসমাইল হোসেন ও আলমগীর হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং ধর্ষক আব্দুর রশিদকে আটক করি। তবে আমরা যাওয়ার আগে মেয়েটির বাবা জাতীয় জরুরি ফোন ৯৯৯ নম্বরে কল দেয়। এরপর রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে আমরা ধর্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেই।
হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক জয়নাল আবেদীন বলেন, ট্রিপল নাইনের কোলে ঘটনাস্থলে এসে সত্যতা পাই। পরে ধর্ষকসহ ভিকটিমকে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে থানায় নিয়ে আসি।
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ জানান, কিশোরির পরিবারের লিখিত অভিযোগ ভিত্তিতে আটক আব্দুর রশিদকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ এবং চাঁদপুর সদর হাসপাতালে কিশোরির মেডিক্যাল রিপোর্ট সম্পন্ন করা হয়।
০১ আগস্ট, ২০২১।