
হাজীগঞ্জ ব্যুরো
হাজীগঞ্জে চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ক্রয়ে তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বৈশাখী বড়–য়া। গতকাল সোমবার থেকে তিনি নিজে কৃষি কার্ডধারী কৃষকদের সাথে সাক্ষাত করেন এবং সাক্ষাত শেষে কৃষি কার্ডে ধান ক্রয়ের পরিমাণ উল্লেখপূর্বক স্বাক্ষর করে দিচ্ছেন ইউএনও।
পরবর্তীতে স্বাক্ষরিত কার্ড দেখিয়ে খাদ্য পরিদর্শক ও উপজেলা খাদ্য গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে ধান বিক্রি করছেন কৃষক। দুর্নীতিরোধ ও প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়ে তদারকির জন্য এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়–য়া।
এ বিষয়টি জানিয়ে সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়–য়া (ইউএনও) ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসে (হুবহু) তিনি উল্লেখ করেন, হাজীগঞ্জ উপজেলার সকল কৃষককে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সাক্ষাৎপূর্বক গুদামে ধান বিক্রি করার অনুরোধ করা হল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদত্ত টোকেন প্রদর্শন না করা পর্যন্ত গুদামে ধান গৃহীত হবে না। জনকল্যাণকর এই পোস্টটি শেয়ার করার জন্য এবং কৃষকগণকে অবহিত করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে হাজীগঞ্জে সরকারিভাবে ২৭৮ টন বোরো ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রতি মন বোরো ধান ১,০৪০ টাকা (প্রতি কেজি ২৬ টাকা) করে ক্রয় করছে সরকার। এছাড়া প্রতি মন ১,৪৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৩৬ টাকা) করে ৫৬৫ টন চাল সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম আগামি ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। একজন প্রান্তিক কৃষক সর্বোচ্চ ৩ টন (৮১ মন) ধান বিক্রি করতে পারবেন।
